জাপানের আইচি–নাগোয়ায় ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ২০তম এশিয়ান গেমস ২০২৬–এ বাংলাদেশ থেকে ক্রীড়াবিদ, কোচ এবং ম্যানেজারসহ মোট ২৬০ জন অংশগ্রহণ করবে। মহাদেশীয় এই বিশাল ক্রীড়া আয়োজনে ২২টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বাংলাদেশ। ক্রীড়া ইভেন্টগুলো হলো– ক্রিকেট, ফুটবল, আর্চারি, অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, কাবাডি, হকি, শুটিং, সাঁতার, ভারোত্তলন, জিমন্যাস্টিকস, কারাতে, ফেন্সিং, সাইক্লিং, ব্যাডমিন্টন, গলফ, সার্ফিং, জুডো, টেবিল টেনিস, বিচ ভলিবল, কুস্তি এবং উশু। এশিয়ার ৪৫টি দেশের প্রায় ১১ হাজার ৬৬ জন ক্রীড়াবিদ ৪৩টি ক্রীড়া ইভেন্ট ও ৪৬৯টি ডিসিপ্লিনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী ১৮৭ জন ক্রীড়াবিদের মধ্যে ৯০ জন পুরুষ এবং ৯৭ জন নারী। কোচ ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ৬১ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী আছেন। এই নিয়ে তৃতীয়বার এশিয়ান গেমস আয়োজন করতে যাচ্ছে জাপান। এর আগে ১৯৫৮ সালে টোকিওতে এবং ১৯৯৪ সালে হিরোশিমায় এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আসন্ন এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দল ও সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাতে আজ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিওএ। বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা নিয়ে গণমাধ্যমকে অবহিত করেন বিওএ সহ–সভাপতি এবং বাংলাদেশ দলের ‘শেফ দ্য মিশন’ মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ। বিওএ সদস্য এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কবির ‘ডেপুটি শেফ দ্য মিশন’–এর দায়িত্ব পালন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চ–পাস্টে জাতীয় শুটার আবদুল্লাহ হেল বাকি এবং কারাতেকা হুমায়রা আক্তার অন্তরা বাংলাদেশের পতাকা বহন করবেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চার দিন আগে, ১৪ সেপ্টেম্বর নারী ফুটবল ইভেন্ট দিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে নারী ক্রিকেট ইভেন্ট শুরু হবে। নারী ফুটবল দল ১১ সেপ্টেম্বর এবং নারী ক্রিকেট দল ১৪ সেপ্টেম্বর জাপানের উদ্দেশে রওনা হবে।












