সিলেট টেস্টের একাদশে একজন বাড়তি পেসার থাকলে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ আরও কার্যকর হতে পারত বলে মনে করেন তাসকিন আহমেদ। বিশেষ করে দিনের প্রথম এক ঘণ্টায় উইকেটের আর্দ্রতা কাজে লাগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আরও চাপে ফেলার সুযোগ ছিল বলে মনে করেন তিনি। তবে একাদশ নির্বাচন নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে এই পেসার বলেছেন, জয়ের জন্য মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। তাসকিনের মতে, সকালের আর্দ্রতা কাজে লাগানোর সময়টাতে আরেকজন পেসার থাকলে বোলিং আক্রমণ আরও দীর্ঘ সময় চাপ ধরে রাখতে পারত। দিন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাসকিন বলেন, ‘এক পর্যায়ে মনে হয়েছে, আরেকজন সিমার থাকলে হয়তো ভালো হতো। সকালের এক ঘণ্টার যে ময়েশ্চার, সেটা আমরা প্রপারলি কাজে লাগাতে পারছিলাম। তখন মনে হচ্ছিল, আরেকজন সিমার থাকলে হয়তো আরও লম্বা সময় বোলিং করা যেত। আমাদের তখন যেভাবে মুভ করছিল, তাতে আরও দুই–একটি উইকেট যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।’ ম্যাচের শেষ তিন দিনে স্পিনাররা কার্যকর হয়ে উঠতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই হয়তো একাদশে বাড়তি স্পিনার রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তাসকিন বলেন, ‘টিম সিলেকশন পুরোপুরি ম্যানেজমেন্টের বিষয়। তারা উইকেট ও কন্ডিশন বিবেচনা করে যেটা চিন্তা করেছে, সেটা দলের সেরা স্বার্থ বিবেচনা করেই করেছে। ম্যাচের ফল নির্ধারণের ক্ষেত্রে তিন, চার ও পাঁচ নম্বর দিনে স্পিনারদের সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে সকালের পরিস্থিতি এবং দিনের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আমার ব্যক্তিগতভাবেও মনে হয়েছে, আরেকজন পেসার থাকলে বোলিং ইউনিটের জন্য ভালো হতো। কিন্তু ম্যানেজমেন্ট যেভাবে দল নির্বাচন করেছে, সেটাকে সম্মান জানিয়েই আমাদের জয়ের জন্য লড়তে হবে।’












