অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, চট্টগ্রামের উদ্যোগে ইউএসটিসির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়ার রচিত ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষার চাবিকাঠি’ ও ‘জ্যোতির্ময় : বৌদ্ধ শিক্ষকদের ইতিকথা’ গ্রন্থের পাঠ উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবস্থ জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সংঘনায়ক অধ্যাপক বনশ্রী মহাথেরো।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল ওসমান গনি মনসুর। বাংলাদেশ বৌদ্ধ একাডেমির পরিচালক প্রফেসর তুষার কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন–অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিটের প্রধান ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি, চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ডা. মনোজ বড়ুয়া, কবি ও নাট্যজন অধ্যাপক সনজীব বড়ুয়া, প্রকৌশলী মৃগাংক প্রসাদ বড়ুয়া, সমীরণ বড়ুয়া, সাংবাদিক সমীর কান্তি বড়ুয়া, বিসিসিইউএল এর চেয়ারম্যান শাসনরক্ষিত মহাস্থবির প্রমুখ। হৈমন্তী বড়ুয়া ইমু ও প্রান্ত বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এতে স্বাগত বক্তব্য দেন– অনোমা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী চট্টগ্রামের মহাসচিব তুষার কান্তি বড়ুয়া। সভায় বক্তারা অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া রচিত ‘জ্যোতির্ময় : বৌদ্ধ শিক্ষকদের ইতিহাস’ গ্রন্থে লেখকের যে চিন্তা, অনুসন্ধিৎসা ও আত্ম সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। বিশেষত, বৃহত্তর সমাজে বৌদ্ধ শিক্ষকদের অবদান, তাঁদের জীবনসংগ্রাম, শিক্ষাদর্শন এবং সামাজিক ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় যথাযথভাবে সংরক্ষিত না হওয়ার বিষয়টি লেখক গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর এই উপলব্ধি কেবল অতীতকে জানার আগ্রহ থেকে উৎসারিত নয়,
বরং ইতিহাসের উপেক্ষিত অধ্যায়কে আলোর মুখ দেখানোর এক আন্তরিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। সমাজ বিনির্মাণে গুণীজনদের জীবনী প্রজন্মের মাঝে আমৃত্যু তুলে ধরার যে প্রয়াস সৃষ্টি করেছেন ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া তা সত্যিই অনুকরণীয়, অনুস্মরণীয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












