শহরে গ্রামে যাতায়াত করতে সাধারণ জনগণের খুবই কষ্ট হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও যানবাহনের দেখা মিলে না। হঠাৎ একটা আসলে কার আগে কে উঠবে হুড়াহুড়িতে পড়তে হয়। বিশেষ করে মুরাদপুর, ২নং গেইট, বহদ্দারহাট সহ চট্টগ্রাম শহরের প্রত্যেকটি মোড়ে মানুষের ভিড়। বিশেষ করে মহিলা যাত্রীদের কষ্টের সীমা নেই। মাহিন্দ্রা, ১,২,৩,৪,১০নং বাসের ড্রাইভার, হেলপারদের অভিযোগ গ্যাস সংকটের কারণে এ অবস্থা। এ সুযোগে তারা গাড়ি ভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছে। ওঠা নামা দশ টাকা। প্রত্যেক গাড়ির হেলপারদের নতুন পরিভাষাতে পরিণত হয়েছে ওঠা নামা দশ টাকা। গাড়ির ড্রাইভাররা অতিরিক্ত ভাড়া পাওয়ার আশায় সরাসরি তারা দূরস্টেশনে যাবে না বলে। যেমন ওয়াসা থেকে নতুন ব্রীজ যাওয়ার নিয়ম থাকলেও তারা বহদ্দারহাট এসে নামিয়ে দেয়। আবার সেখান থেকে নতুনভাবে ব্রীজের যাত্রী উঠানো হয়। এভাবে যাত্রীদের হয়রানি করা হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামের যাত্রীরা নতুনব্রীজ স্টেশনে গাড়ির ড্রাইভারদের কাছে জিম্মি। বৃহস্পতিবার ও জুমাবারে ভাড়ার পরিমাণ দ্বিগুণ গুণতে হয়। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্র্র্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন, ভাড়ার নির্ধারিত চার্ট অনুযায়ী ভাড়া আদায় করে সাধারণ যাত্রীদেরকে অহেতুক হয়রানি থেকে বাঁচার চেষ্টা করলে জনগণ উপকৃত হবে। এ বিষয়ে মাননীয় মেয়র মহোদয় ও সংশ্ল্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি।
মুহাম্মদ মহিউদ্দিন নূরী
সিনিয়র শিক্ষক
বাগমনিরাম আবদুর রশিদ সিটি করপোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়। দামপাড়া,চট্টগ্রাম।











