৭ বছরে মির্জা ফখরুলের আয় বেড়েছে সামান্য, সম্পদ বেড়ে আড়াইগুণ

| শনিবার , ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার নির্বাচনি হলফনামায় বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন প্রায় ১২ লাখ টাকা; আর তার সম্পদের পরিমাণ দেড় কোটি টাকার বেশি। এই হিসেবে গত সাত বছরে তার আয় মাত্র ৫২ হাজার টাকা বাড়লেও সম্পদের পরিমাণ বেড়ে আড়াইগুণ হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও১ আসনে বিএনপির প্রার্থী। ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি এ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। অবশ্য শেষবার তিনি জয়ী হলেও শপথ নেননি।

হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা ফখরুল ইসলামের বয়স ৭৭ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর। ২০১৮ সালের হলফনামা বলছে, সে সময় মির্জা ফখরুলের বার্ষিক আয় ছিল ১১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৩ টাকা। আর এবারের হলফনামায় কৃষি, ব্যবসা, শেয়ার ও পরামর্শক হিসেবে সম্মানী ভাতা মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, গত সাত বছরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বার্ষিক আয় বেড়েছে মাত্র ৫১ হাজার ৭০০ টাকা। আয়ের বিবরণীতে দেখা যায়কৃষি খাত থেকে মির্জা ফখরুলের বছরে আয় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা (হুরমত আলী মার্কেটের শেয়ার থেকে)। পরামর্শক হিসেবে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানী ভাতা পান প্রায় ৮ লাখ টাকা। এছাড়া ব্যাংক মুনাফ থেকে আরো ৭ হাজার ৯০১ টাকা আসে। খবর বিডিনিউজের।

২০১৮ সালের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে বিএনপির মহাসচিবের তখন ৬২ লাখ ১০ হাজার ৬২৬ টাকার সম্পদ ছিল। আর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তিনি স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। এখন তার হাতে নগদ আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। ব্যাংকে জমা আছে ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা। শেয়ারে আছে আরো ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। ১০ ভরি স্বর্ণ, একটি গাড়ি এবং একটি দোনলা বন্দুক আছে তার। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯ টাকা।

আর কৃষি ও অকৃষিজমি, ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া দোতলা বাড়ির একটি অংশের মালিকানা ও মার্কেটের শেয়ার মিলিয়ে তার স্থাবর সম্পত্তির (অর্জনকালীন) দাম ১৯ লাখ ৫ হাজার ৮১৪ টাকা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএক যুগে গয়াল বেড়ে ৪ থেকে ২২
পরবর্তী নিবন্ধ২৫ হাজার বই বিনিময়