আনোয়ারায় ২৫ বছর আগে জমির ঘাস পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে নুর আহম্মদ খুনের মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন মনিরুল হক।
যাবজ্জীবনদণ্ড প্রাপ্ত ৮ আসামি হলেন– ছাইফুল হক, বদরুল হক, আজিজুল হক, আবদুল রাজ্জাক, মো. রফিক, ছৈয়দুল হক, বাবুল হক ও মো. হাছান। এদের মধ্যে রায় ঘোষণার সময় মো. রফিক, বাবুল হক ও আবদুর রাজ্জাক কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন। বাকীরা পলাতক। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস ইউ এম নুরুল ইসলাম দৈনিক আজাদীকে বলেন, আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৮ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। পুরো বিচার প্রক্রিয়ায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য রেকর্ড হয়েছে জানিয়ে পিপি বলেন, নুর আহম্মদ হত্যা মামলার মোট আসামি ১১ জন। বিচার চলাকালীন আলী আহম্মদ ও মো. গফুর নামের দুই আসামি মৃত্যুবরণ করেছেন। এ জন্য তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ৭ জুলাই আনোয়ারা উপজেলায় ঘাস পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে নুরুল আবছার ও নুর আহম্মদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হলে তাদেরকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তখন নুর আহম্মদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নুর আহম্মদের পরিবারের পক্ষ থেকে আনোয়ারা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করলে ২০০৪ সালের ২২ মার্চ উক্ত চার্জশিটভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।












