বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জনমিতির রূপান্তর যেভাবে ঘটছে, তাতে চাকরির বাজারে বিরাট এক দুঃসময় আসতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। তার পূর্বাভাস বলছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বিশ্বের ১২০ কোটি তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করবে। কিন্তু সেখানে প্রতি তিনজনে কেবল একজন তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় শুক্রবার এ পূর্বাভাস তুলে ধরে বিশ্ব অজয় বাঙ্গা। বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় গতকাল রোববার তার ভাষণের অনুলিপি প্রকাশ করে। খবর বিডিনিউজের।
আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের এই বার্ষিক সভা রোববার শেষ হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল এই সভায় অংশ নেয়। অজয় বাঙ্গা বলেন, ‘আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ১২০ কোটি তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করবে, যেখানে কর্মসংস্থান হবে প্রক্ষেপণ অনুযায়ী মাত্র প্রায় ৪০ কোটি। এই প্রজন্মই আগামী শতাব্দীকে গড়বে। আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নেব, তা–ই নির্ধারণ করবে কীভাবে তাদের আগামী।’
তার ভাষ্য, ‘এই দুই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যই আমরা কাজ করে আসছি: সীমিত সম্পদকে আরও বেশিদূর বা বেশিদিন পর্যন্ত কার্যকর রাখা এবং একই সঙ্গে দেশগুলোকে বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করা। এই দুটিকে একসঙ্গেই মোকাবিলা করতে হবে।’
এ চ্যালেঞ্জকে অংক বা পরিসংখ্যান আকারে না দেখে তারুণ্যের মর্যাদার নিশ্চয়তা ও ভবিষ্যতের বিনিয়োগ আকারে দেখার পরামর্শ দেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আজ চ্যালেঞ্জটি আসছে অংকের রূপে: প্রায় ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি। এই সংখ্যার পেছনে আছে রয়েছে এমন এক তরুণী–যার ডিগ্রি রয়েছে কিন্তু তার জন্য কোনো নিয়োগকর্তা নেই। আছে এমন এক তরুণ, যে দক্ষ, কিন্তু তিনি বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। এমন এক প্রজন্ম রয়েছে, যারা জিজ্ঞাসা করছে–আমার জন্য কি কোনো কর্ম খালি আছে?’











