অসাম্প্রদায়িক ও শুদ্ধ সমাজ গড়তে মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটি’র কর্ম কীর্তি তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এতে সমাজের আমূল পরিবর্তন ঘটবে। হাফিজুর রহমান বিএবিটিকে শিক্ষায় ও মুক্তিযুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দিতে হবে। গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে শিক্ষাবিদ ও কবি মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটির স্মারকগ্রন্থ ‘দিব্যলোকের মহাযাত্রী’র প্রকাশনা উৎসবে বক্তারা এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আহমদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রকাশনা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সঞ্চালনায় উৎসবে আলোচক ছিলেন কঙবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল কাসেম, আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আনোয়ারা আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মাসুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন গ্রন্থের সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ূন করিম চৌধুরী। ড. আবুল কাসেম বলেন, কবিতায় হাফিজুর রহমানের ভাষার অগাধ পাণ্ডিত্য আর সাহিত্যের গভীর চর্চা অনবদ্য। এসব নিয়ে আরও বেশি গবেষণা ও চর্চা হোক। স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন করিম চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মৌলভী হাফিজুর রহমান বিএবিটি আধ্যাত্মিকতার শক্তিতে ফটিকছড়ির নানুপুর আবু সোবহান স্কুলে আশ্রয় নেওয়া হাজারো শরণার্থীর জীবন বেঁচেছিল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












