জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রথম স্তম্ভ হল স্মার্ট নাগরিক তৈরি। স্মার্ট সিটিজেন তৈরীতে স্কাউটাররা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন সচেতন ও আলোকিত নাগরিক গঠনে স্কাউটকে নেতৃত্ব দিতে হবে। গতকাল চট্টগ্রাম জেলার সকল স্কুলে শতভাগ স্কাউটিং কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্কাউটিং শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এ কথা বলেন। নগরীর পিটিআই মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আবদুল মালেক। নগরীর ১৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, স্কাউট শিক্ষক, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, জেলা স্কাউট কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিটের স্কাউটস নেতৃত্ব সভায় উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলাকে বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট জেলায় রূপান্তরে স্টেক হোল্ডার কন্সালটেশনের ধারাবাহিকতায় এ সভা আহ্বান করা হয়। সভায় স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা ও পাটের ব্যাগে উদ্বুদ্ধকরণ, গ্রিন সিটি নিশ্চিতকরণে ২৩ সালে ২৩ লাখ বৃক্ষরোপণ, স্মার্ট টুরিজমে নগরী থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত স্মার্ট টুরিস্ট বাস চালুকরণ, স্মার্ট স্পোর্টস বাস্তবায়নে ১৯১টি ইউনিয়নে ১৯১টি খেলার মাঠ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ, স্মার্ট কৃষিতে কৃষি শ্রমিক ও সরঞ্জাম সরবরাহ প্ল্যাটফর্ম প্রভৃতিসহ স্মার্ট চট্টগ্রাম বিনির্মাণের বিভিন্ন উদ্যোগ অংশগ্রহনকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট চট্টগ্রাম বাস্তবায়ন বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনও উপস্থাপন করা হয়।












