ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সৌদি আরবের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য। দেশটির রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) টাইফুন যুদ্ধবিমান সৌদির আকাশে প্রতিরক্ষামূলক অভিযান চালাবে। খবর বাংলানিউজের।
তবে এসব বিমান দিয়ে হুতিদের ওপর সরাসরি আক্রমণ চালানো হবে না বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সৌদি আরবে হুতিদের হামলা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে নতুন এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের অনুমোদনে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। খবর আল জাজিরা ও রয়টার্সের।
টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানোর পাশাপাশি সৌদি আরবে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের জন্য একটি এ৪০০এম পরিবহন বিমান এবং সৌদি সামরিক কর্মকর্তাদের সহায়তায় ব্রিটিশ সামরিক উপদেষ্টা পাঠানো হবে। এ ছাড়া সৌদি যুদ্ধবিমানের জন্য আকাশে জ্বালানি সরবরাহের বিদ্যমান সহায়তার মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়ানো হয়েছে।
ব্রিটিশ সরকারের ভাষ্য, সৌদি শহর, বেসামরিক নাগরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়াই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য। একই সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সামপ্রতিক সময়ে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হুথিদের হামলা বেড়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন নিহত হন এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। এরপরও সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ব্রিটিশ সরকার বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়তে থাকলে জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি ইয়েমেন সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধানের জন্য জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন প্রক্রিয়াকেও সমর্থন করছে যুক্তরাজ্য।











