গত দুইদিনের ভারী বর্ষণে সীতাকুণ্ডে ৫টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বসতবাড়িতে পানি উঠেছে।
গত শনিবার সকাল ৬টা থেকে গতকাল সকাল ৬টা পর্যন্ত ১৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। ভারী বর্ষণে সীতাকুণ্ড পৌরসভা, মুরাদপুর, বাঁশবাড়িয়া, কুমিরা ও সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ঘরের মেঝেতে পানি উঠেছে।
ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের হাজীপাড়া, কুমিরা ইউনিয়নের দত্তপাড়া ও সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বারআউলিয়া এলাকায় দেখা গেছে, প্রতিটি এলাকার বেশির ভাগ ঘরের মেঝেতে পানি উঠেছে। এ ছাড়া রাস্তাঘাট ডুবে চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেককে ডুবে যাওয়া সড়কের ওপর জাল ফেলে মাছ ধরতে দেখা যায়। সোনাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ পানিতে ডুবে আছে। শিক্ষার্থীদের হাঁটুপানি মাড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে হয়েছে। মাছ চাষের শতাধিক পুকুর তলিয়ে গেছে।
গতকাল দুপুরে দিকে কুমিরা, বাঁশবাড়িয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জানান, ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ি ঢলের পানি দ্রুত নিষ্কাশিত না হওয়ায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানিবন্দী অবস্থায় অনেক পরিবারের রান্নাঘরের চুলা জ্বলেনি। বিভিন্ন সবজির ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, কত পরিবার পানিবন্দী হয়েছে, সে হিসাব এখনো তিনি পাননি। জনপ্রতিনিধিদের এ বিষয়ে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।












