সীতাকুণ্ডে শিশুকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা, মামলা

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি | মঙ্গলবার , ৩ মার্চ, ২০২৬ at ৬:২৩ পূর্বাহ্ণ

সীতাকুণ্ডে এক শিশুকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে বলে জানা গেছে। গত রবিবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে পর্যটন স্পট বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের জঙ্গল থেকে গলাকাটা অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে কিছু যুবক। তবে শিশুটি সীতাকুণ্ড হাসপাতালে উপস্থিত সকলের সম্মুখে জানায় তার নাম ইরা। তার বয়স ৭ বছর। সে কুমিরা মছজিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়া ছাত্রী। একই ইউনিয়নের মাস্টার পাড়ার মনিরুল ইসলামের মেয়ে।

এদিকে ঘটনার পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ হাসপাতালে নেয়া হলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করেন।

ইকোপার্ক সড়কের কর্মরত শ্রমিক ও স্থানীয় যুবক আরিফ এবং রবিউল হাসান জানিয়েছে, ইকোপার্ক এলাকার দুর্গম পাহাড়ের প্রায় ৫ কিঃমিঃ ওপরে অন্যান্য দিনের মত সড়কে তারা সংস্কারের কাজ করছিলেন। এসময় এস্কেভেটর চালকের চোখে পড়ে একটি শিশু কন্যা গলাকাটা রক্তাক্ত অবস্থায় জঙ্গল থেকে হেঁটে সামনের দিকে আসছে। তাৎক্ষণিকভাবে একটি ট্রাকে তুলে তাকে দ্রুত সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কে বা কারা শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেছিল তা তারা কেউ জানে না।

এদিকে সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেঙের চিকিৎসক জানান, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেলের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ইকোপার্কের সড়কে কর্মরত ও স্থানীয় কিছু যুবক শিশুটিকে গলাকাটা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা ঘটনার দিন রবিবার বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে তদন্তের কাজ চলছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সন্দ্বীপের একজন নিহত
পরবর্তী নিবন্ধগণভোটের রায় বাতিল করতে আদালতকে ব্যবহারের চেষ্টা হচ্ছে