সিএমপির প্রকাশিত ৩৩০ জন ‘দুষ্কৃতকারী’র তালিকায় ‘স্বচ্ছতার অভাব’ রয়েছে বলে দাবি করেছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। গতকাল রোববার নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি করে বলা হয়, তালিকায় মৃত ব্যক্তির নামও অন্তর্ভুক্ত আছে। পাশাপাশি, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য গত ১৭ বছর ধরে যারা আন্দোলন ও সংগ্রামে নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে গঠিত গায়েবি মামলার তালিকার নামকে দুষ্কৃতকারীর তালিকায় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের নাম থাকায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় বিবৃতিতে। নেতৃবৃন্দ বলেন, মহানগর বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ এই তালিকা দেখে গভীরভাবে বিস্মিত হয়েছেন। তারা সিএমপির এ কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও অস্ত্রধারীদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানানো হয়।
তারা বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি জোরদারভাবে উল্লেখ করছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের হেনস্থা করা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের সংবিধান ও আইনকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করা সম্পূর্ণ অনুচিত।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি জানাই, প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্তকরণের মাধ্যমে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের প্রতি কোনো অন্যায় ও অব্যবস্থাপনা না ঘটে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার প্রকাশিত তালিকায় নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজাসহ ১৫ জন নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে রাতে সংশোধিত তালিকায় শওকত আজম খাজার নাম বাদ দেওয়া হয়।












