পানি সহজলভ্য। সস্তাও। অল্প দামে কিছু বিক্রি হলে বলা হয় পানির দরে বিক্রি। কিন্তু এ রকম তুলনা করার সময় বুঝি শেষ হয়ে এল। পানি যখন দামি হয়ে ওঠে তখন কত দামি হতে পারে, তা অনেকের কাছেই কল্পনাতীত। এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ৭৫০ মিলিলিটারের এক বোতল পানির দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৩ লাখ টাকারও বেশি। এই পানির ব্র্যান্ড নাম অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবুটো আ মডিগ্লিয়ানি। বিশ্বের সবচেয়ে দামি পানি এটি। কেন এত দাম? কারণ সুন্দর বোতলগুলো সোনার। শুধু তাই নয়, পানির মধ্যে স্বর্ণভস্ম মেশানো থাকে। ফিজি ও ফ্রান্সের ঝরনা থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয় এই পানি।
ফিলিকো নামের জাপানে বোতলজাতকৃত পানিও দামের দিক দিয়ে খুব একটা কম যায় না। স্বাদ ও বিশুদ্ধতার জন্য তো বটেই, বোতলের কারুকার্যের জন্য বিশ্বে এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। জাপানের কোবেতে নুনোবিকি নামের ঝরনা থেকে সংগ্রহ করা হয় এই পানি। এই পানির বোতলের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফিলিকো ব্ল্যাক কুইন। বোতলের পানিতে সমপরিমাণ সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে। ৭৫০ মিলিলিটার পানির একটি বোতলের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ফিলিকো পানির বোতলে স্বরোভস্কি ক্রিস্টাল ব্যবহার করা হয়।
জাপানের কোনা নিগারি ব্র্যান্ডের পানির দামও আকাশছোঁয়া। প্রচলিত রয়েছে, এই পানি পান করলে শক্তি পাওয়া যায়, ওজন কমে, ত্বক ভালো থাকে। এমনকি তেষ্টা মেটানোতেও এর জুড়ি মেলা ভার। হাওয়াইয়ে গভীর সমুদ্র থেকে সংগ্রহের পর জাপানের কারখানায় বিভিন্ন ধাপে পরিশোধন করে এই পানি বাজারজাত করা হয়। এক বোতল পানির দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ হাজার টাকা।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্লিং এইচ২ও ব্র্যান্ডের পানিও দামি। আমেরিকার টেনেসির গ্রেট স্মোকি মাউন্টেনের ইংলিশ মাউন্টেন স্প্রিং থেকে সংগ্রহ করা এই পানি নয়টি ধাপে বিশুদ্ধ করা হয়। বোতলের কারুকার্য এবং পানির স্বাদের জন্য বিশ্বের অন্যতম সেরা পানীয় জল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এটি। ৭৫০ মিলিলিটার পানির দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার টাকা।












