চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত তাকে ধানের শীষ প্রতীক দিতে ইসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরওয়ার আলমগীরের করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার রুলসহ এ আদেশ দেয়।
সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, মনোনয়ন বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে হাই কোর্ট। সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে এ আদেশের ফলে সরওয়ার আলমগীরের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোন বাধা রইল না। আদালতে শুনানিতে সরওয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার ফয়সল মাহমুদ ফয়েজি। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম–২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের ওপর আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য্য রেখেছিলেন হাইকোর্ট, যা আদালতের কার্যতালিকায় ৮৩ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।
রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইকালে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে এনে তার প্রার্থিতা বাতিলের জন্য ইসিতে আপিল দায়ের করেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে ওই অভিযোগের শুনানিতে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ইসির এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর গত ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন।
বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর বলেন, সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী। সেটা আবারও প্রমাণিত হল। একটি গোষ্ঠি আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে নানাভাবে চেষ্টা করেছে কিন্তু তারা সফল হয়নি। মাননীয় আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। ফটিকছড়িবাসী আমার সাথে আছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।












