গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক নয় বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সরকার নাগরিকের বাকস্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে ‘অত্যন্ত সচেতন’। গতকাল রোববার মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট– আইআরআই এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। খবর বিডিনিউজের।
গণতান্ত্রিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী কাজ করা ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির এ প্রতিনিধিদল রোববার মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। আইআরআই এর রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি তাদের চলমান যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা সংক্রান্ত কর্মসূচির কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন।’ তিনি এই ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান।
সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধা–নিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে বলে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন বা গালিগালাজ এক নয়।’ প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইনটির মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা করা এবং একই সাথে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত, করা যাতে আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার না ঘটে।’












