সংঘাতমুক্ত হোসাইনি মানবিক ইসলাম প্রতিষ্ঠার আহ্বান

১০ দিনব্যাপী শাহাদাতে কারবালা মাহফিল সম্পন্ন

| সোমবার , ৩১ জুলাই, ২০২৩ at ৬:১১ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বব্যাপী চলা সংঘাত, হানাহানি থেকে বেরিয়ে এসে হোসাইনি আদর্শের মানবিক ইসলাম প্রতিষ্ঠার আহবানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক শাহাদাতে কারবালা মাহফিল। অবক্ষয়ে নিমজ্জিত তারুণ্যের শক্তিকে ইসলামের ধাঁচে গড়ে তোলা, কারবালার মর্মস্পর্শী ঘটনা ও নবী পরিবারের আত্মত্যাগের কাহিনি সর্বস্তরের পাঠ্য পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ওঠেছে মাহফিল থেকে।

চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্লাজায় দশদিন ব্যাপী ৩৮ তম শাহাদাতে কারবালা মাহফিলের আয়োজন করে মাহফিল পরিচালনা পর্ষদ। গত শনিবার সমাপনী দিনে হাজারো আহলে বায়তপ্রেমী মানুষের ঢল নামে। মাহফিলে দেশবাসীর শান্তি সমৃদ্ধি, মুসলিম উম্মাহর ঐক্যসংহতি ও বৈশ্বিক শান্তি কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়। শুরুতে প্রচার সম্পাদক দিলশাদ আহমেদের নির্মাণকৃত বিগত মাহফিলগুলোর ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়।

সমাপনী দিনের মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। বিদেশি আলোচক ছিলেন ইরাকের বাগদাদের বড় পীর সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানীর (রা) বংশধর আল্লামা সৈয়দ আফিফ আবদুল কাদের মনসুর আল জিলানী (মাজিআ)। কারবালা ময়দানে ইসলাম দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, একদিকে হযরত ইমাম হোসাইন (রা) ও আহলে বায়তে রাসুলের () হাতে মানবিক ইসলামের পতাকা, অন্যদিকে ইসলামের আলখেল্লাধারী ইয়াজিদের সহিংস উগ্রবাদী ইসলাম। আমরা হোসাইনি মানবিক ইসলামের পতাকাই ধারণ করি। ইসলামের এই মূলধারার ওপর আমরা প্রতিষ্ঠিত। কারবালার যুদ্ধে মানবতা, শান্তি, সমপ্রীতির মানবিক ইসলামের বিজয় সূচিত হয়েছে; যার নেতৃত্বে ছিলেন নবী বংশের উজ্জ্বল নক্ষত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা)

আহলে বায়তে রাসূল () আমাদের নাজাত ও মুক্তির ঠিকানা বিষয়ে আলোচনা করেন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার আবু সাঈদ মুহাম্মদ কাশেম। অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ, আনজুমানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহম্মদ মহসিন, পিএইচপি ফ্যমিলির পরিচালক আমীর হোসেন সোহেল। কুরআন মজিদ থেকে তেলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক ক্বারী আহমদ বিন ইউসূফ আল আজহারী। মহফিলের প্রধান সমন্বয়ক পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসেন সোহাগ, খোরশেদুর রহমান, মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক, সিরাজুল মুস্তফা, মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন, জাফর আহমদ সওদাগর, প্রফেসর কামাল উদ্দিন আহমদ, আব্দুল হাই মাসুম, দিলশাদ আহমদ, হাফেজ আহমদুল হক, মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিকদার, মাহাবুবুল আলম, হাফেজ ছালামত উল্লাহ, এস এম শফি, গাজী ইদ্রিচ চেয়ারম্যান, মাইন উদিন মিঠু, মোহাম্মদ ফরিদ মিয়া, শাহাব উদ্দিন, জহির উদ্দিন, খোরশেদ আালী চৌধুরী, নাজিব আশরাফ, মুহাম্মদ আব্দুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকোটি টাকার মোবাইল ফোন ফেলে পালালো চোরাকারবারীরা
পরবর্তী নিবন্ধনানিয়ারচরে আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের আট জনকে সাময়িক অব্যাহতি