একজন শিশু জন্মের পর থেকে পিতামাতার সংস্পর্শে বড় হয় এবং চারবছর পূর্ণ হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়। শিশু মনোবিজ্ঞানীদের মতে পিতামাতার স্নেহ–ভালোবাসা একজন শিশুর নৈতিকতা, শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের মন নরম মাটির মত। তাই শৈশবকালে তাকে যে শিক্ষা দেওয়া হয় সে সেভাবেই বেড়ে ওঠে। তাই প্রত্যেক পিতামাতাকে তাদের সন্তানদের প্রতি আন্তরিকতার সাথে যত্নশীল হওয়া উচিত। নৈতিকতা বর্জিত মানুষ সমাজ তথা দেশের কল্যাণে কোন সুফল বয়ে আনতে পারে না। তাই প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই একটা জাতিকে নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা উচিত। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। একজন শিক্ষক নিজে সততা ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হয়ে শিক্ষার্থীদের নৈতিকভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। তাই প্রতিদিন শ্রেণি কার্যক্রমে পাঠ শুরু করার আগে শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট নীতিবাক্য ও শিক্ষামূলক গল্প বলা উচিত। সব শিক্ষার্থীকে কোনও বৈষম্য না রেখে সমান মর্যাদা দেয়া উচিত। সকল শিক্ষার্থীদের পারষ্পরিক সহনশীলতা, সহমর্মিতা, ও সংঘাত নিরসনের মতো গুণাবলী সম্পন্ন করে গড়ে তোলা উচিত। প্রত্যেক শিশুকে ভুল আচরণ সংশোধন করে ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য বোঝানো উচিত। তাহলেই একটা শিশু শৈশবকাল থেকেই নৈতিকভাবে বেড়ে ওঠবে। তাই প্রত্যেক শিশুকে নেতিকভাবে গড়ে তুলতে প্রত্যেক শিক্ষককে আরো যত্নশীল ভূমিকা রাখা উচিত।












