একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক, দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেছেন, যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছেছে। আজকের কৃতী শিক্ষার্থীরা আগামীর দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে সমাজের প্রতিটি স্তরে। তাহলেই জাতি আলোকিত মানুষ উপহার পাবে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এসএসসি, এইচএসসি ও গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এপিজে আবদুল কালামের উক্তিগুলো মূলত স্বপ্ন দেখা, কঠোর পরিশ্রম, হার না মানা মনোভাব এবং তরুণ প্রজন্মের আত্মোন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না’। মেধা, মননশীলতা, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড বজায় রেখে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে যাওয়া হবে শিক্ষার্থীদের প্রধান কাজ। পরিবর্তন চাইলে পরিবার থেকেই শিক্ষার মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।
এম এ মালেক বলেন, শিক্ষার মাধ্যমে জাতিকে পরিবর্তন করা যায়। শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষিত মানুষ সমাজ পরিবর্তন করার অন্যতম হাতিয়ার। নতুন প্রজন্মকে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্ন পূরণে আশাবাদী হতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। জাতি গঠনে তরুণ প্রজন্ম হতে পারে একমাত্র আদর্শ। আর এটাই এখন সময়ের দাবি। নোবেলজয়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে আজ বিশ্বব্যাপী সবাই চেনে। সেটি তাঁর সফল কর্মগুণে। তিনি চট্টগ্রামের অহংকার এবং অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস। অনুষ্ঠান চলাকালীন ‘নিউজ’ শব্দের এব্রিভিয়েশন সঠিকভাবে বলতে পারায় এক কৃতী ছাত্রীকে নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন তিনি।
সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিআরএসটিভির চেয়ারম্যান মো. সেলিম নুরের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক আবছার উদ্দিন অলি ও আবৃত্তিশিল্পী সিমলা চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন ডা. আর কে রুবেল। তিনি বলেন, সংগঠনটি ২২ বছর অতিবাহিত করল। মূলত এই সংগঠনের কাজ হলো আর্তমানবতার সেবায় কাজ করা। প্রতি বছর অসহায় মানুষকে সেবা দিতে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশের সহকারী সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, মাই টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ নুরুল কবির, শিক্ষিকা নীলা বোস ও মানবাধিকার সংগঠক আবদুল নুর। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডা. মুজিবুল হক চৌধুরী, কবি মাদল চন্দ্র বড়ুয়া, সংগঠক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নারী উদ্যোক্তা খালেদা চৌধুরী, সংগীতশিল্পী হাসনা জান্নাত মিকাত, অনামিকা তালুকদার, শারমিন হোসেন, পিংকি চক্রবর্ত্তী, আঁখি দৃষ্টি, উত্তম কুমার দাশ, আনিসুর রহমান ফরহাদ, সোমা মুৎসুদ্দী, ফকরুল রাসেল, আঁচল চক্রবর্ত্তী, রিটন কান্তি দাশ, জগলু পাশা, সমীরন পাল, শংকর বড়ুয়া, এসএম সরওয়ার, আসিফ ইকবাল ও মো. তিতাস। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।












