রাঙ্গুনিয়া চাঞ্চল্যকর স্কুল ছাত্র শাহেদুল ইসলাম হত্যা মামলায় মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া আরও দুই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। গত বুধবার সকালে তাদের আটক করা হয় এবং একইদিন তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব সাহাব্দীনগর মহতপাড়া এলাকার মৃত আবদুল করিমের ছেলে। অপরদিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটককৃতরা হলেন একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আহমদ উল্লাহ (৩৪) ও মো. আরিফ (২৫)।
রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ওসি মো. আরমান হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক দুজনকেও ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার আশাকরি দ্রুত রহস্য উন্মোচিত হবে। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্লু পাওয়া গেছে। আরও অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, একদিন আগে নিখোঁজ হওয়ার পর গত ৬ জানুয়ারি সকালে উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড হাজারীহাটের পূর্ব পাশে হাজারী বিলের বাঙি ক্ষেত থেকে মোহাম্মদ শাহেদ ইসলাম (১৭) নামে এক স্কুল ছাত্রের গলাকাটা লাশ উদ্ধার হয়। সে একই ইউনিয়নের পূর্ব সাহাব্দী নগর মহৎ পাড়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী মোহাম্মদ আব্দুল মোনাফের ছেলে এবং পারুয়া সাহাব্দীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্যেণির ছাত্র। এই ঘটনায় নিহত শাহেদের মা জান্নাতুল ফেরদৌস বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিবাদী করে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।












