ক্রীড়া পরিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫–২৬ এর আওতায় রাঙামাটিতে মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের (অনূর্ধ্ব ১৪) সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা ক্রীড়া অফিসার মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুদ্দীন মু. শিবলী নোমান।
মাসব্যাপী এ সাঁতার প্রশিক্ষণে রাঙামাটি জেলার ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন সাঁতার প্রশিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান ও মো. মাঈনুদ্দীন মিয়া। সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে সাঁতার শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিরাপদ জীবনযাপন ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এসময় বক্তারা বলেন, সাঁতার মানুষের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী একটি দক্ষতা। নদী, খাল–বিল ও জলাশয়বহুল বাংলাদেশের মতো দেশে সাঁতার জানা অনেক সময় জীবনরক্ষাকারী দক্ষতা হিসেবে কাজ করে। প্রতি বছর পানিতে ডুবে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে, যার একটি বড় অংশই শিশু–কিশোর। তাই ছোটবেলা থেকেই সাঁতার শেখার মাধ্যমে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, সাঁতার শুধু জীবন রক্ষার দক্ষতা নয়, এটি একটি কার্যকর শারীরিক ব্যায়ামও। নিয়মিত সাঁতার শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।
তরুণ প্রজন্মকে মাদক, অপরাধ ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও ক্রীড়া কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাঁতার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে স্বাস্থ্যবান, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।







