যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাইওয়ানের সঙ্গে চূড়ান্ত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছেন। চুক্তির আওতায় তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর থেকে প্রায় সব শুল্ক প্রত্যাহার করবে বা কমাবে। আর যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান থেকে আমদানি পণ্যে শুল্কের হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করবে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) দপ্তর এই চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।
চুক্তির আওতায় ২০২৫ সাল থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে তাইওয়ানকে বড় অঙ্কের মার্কিন পণ্যও কিনতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৪৪০ কোটি ডলারের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), অপরিশোধিত তেল, ১ হাজার ৫২০ কোটি ডলারের বেসামরিক উড়োজাহাজ ও ইঞ্জিন, ২ হাজার ৫২০ কোটি ডলারের বিদ্যুৎ গ্রিড সরঞ্জাম, জেনারেটর এবং ইস্পাত তৈরির সরঞ্জাম। খবর বিডিনিউজের।
দুই দেশের মধ্যে প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তি হয়েছিল জানুয়ারিতে। পরে চুক্তিটিতে আরও বিস্তারিত খুঁটিনাটি বিষয় যুক্ত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাইওয়ান এশিয়ায় রপ্তানি পণ্যে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে এক কাতারে এসেছে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে তার ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, তাইওয়ানের অর্থনীতি ও শিল্প খাতে বড় ধরনের রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার জন্য এ এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তিনি জানান, এই চুক্তিতে তাইওয়ান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া ২ হাজারেরও বেশি পণ্যকে পারস্পরিক শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এর মানে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ওপর গড় শুল্ক ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশে নেমে আসবে। তবে চুক্তিটি তাইওয়ানের পার্লামেন্টে অনুমোদন পাওয়ার প্রয়োজন পড়বে। সেখানে বিরোধীদল সংখ্যাগরিষ্ঠ।












