অবসান হল এক দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের। চলে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা এবং দুবারের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রেভারেন্ড জেসি জ্যাকসন। খবর বিডিনিউজের।
মঙ্গলবার তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ৮৪ বছর বয়সি নেতার প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে জ্যাকসন পরিবার বলেছে, আমাদের বাবা শুধু আমাদের পরিবারেরই অভিভাবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত, কণ্ঠহীন ও অবহেলিত মানুষের নেতা। ২০১৭ সালে পার্কিনসন রোগে আক্রান্ত হওয়া নেতার মৃত্যু এমন এক সময়ে হল, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জাদুঘর থেকে শুরু করে জাতীয় উদ্যান পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে যুক্তরাষ্ট্র–বিরোধী আদর্শ সরানোর নামে গৃহযুদ্ধকালীন কনফেডারেট স্ট্যাচু পুনঃস্থাপন এবং দাসত্ববিরোধী প্রদর্শনীগুলো সরিয়ে দিচ্ছে। নাগরিক অধিকার কর্মীদের মতে, এসব পদক্ষেপ কয়েক দশকের সামাজিক অগ্রগতিকে উল্টে দিতে পারে। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত জেসি জ্যাকসনের মৃত্যুতে কেবল যুক্তরাষ্ট্রে নয়, শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে। তার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্বনেতারা। কিংয়ের হাত ধরে উত্থান : দক্ষিণের বর্ণবাদী পরিবেশ থেকে উঠে আসা জেসি জ্যাকসন ১৯৬০–এর দশকে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব মার্টিন লুথার কিং জুনিয়ারের ছায়াসঙ্গী হয়ে ওঠেন।











