যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

| রবিবার , ২৯ মার্চ, ২০২৬ at ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়ংকর অপরাধী হিসেবে গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির নামপরিচয়সহ ছবি প্রকাশ করেছে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এক বছরে ৪ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট। তাদের মধ্যে গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ৫৬ হাজার অভিবাসীও রয়েছে, যারা দণ্ডভোগের পর কারামুক্ত হয়েছিল। শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা, মাদক পাচার, প্রতারণা, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতিছিনতাই এবং হামলার মতো নানা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত বা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের এ অভিযানে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। খবর বিডিনিউজের।

উপসহকারীমন্ত্রী লরেন বিস এক বিবৃতিতে বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা সামপ্রতিক অভিযানে গুরুতর অপরাধে জড়িত হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। ‘যারা শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়। কারণ তারা সমাজের জন্যে বড় ধরনের হুমকি।’

খারাপের চেয়েও খারাপ’ অপরাধী হিসেবে গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির মধ্যে কাজী আবু সাঈদ ধরা পড়েছেন ক্যানসাস অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট স্কট এলাকায়। তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ককে খারাপ কাজে ব্যবহার, অবৈধ জুয়া পরিচালনা এবং জুয়া সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। আরেক বাংলাদেশি শাহেদ হাসানকে নর্থ ক্যারোলিনার র‌্যালি শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গোপনে অস্ত্র বহন এবং দোকান থেকে চুরির অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদ আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো শহর থেকে। তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন এবং যৌন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্স এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এমডি হোসেনকে। তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। মাহতাবউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভার্জিনিয়ার চ্যান্টিলি শহর থেকে। তার বিরুদ্ধে গাঁজা বিক্রি এবং হ্যালুসিনোজেন জাতীয় মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। টেঙাস অঙ্গরাজ্যের মার্লিন শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নেওয়াজ খানকে। তার বিরুদ্ধে বিপজ্জনক মাদক সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

চুরির অভিযোগে শাহরিয়ার আবিরকে ফ্লোরিডা প্যানস্কলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিশিগানের মাউন্ট ক্লেমেন্স থেকে।

ভার্জিনিয়ার মানাসাস শহর থেকে ইশতিয়াক রাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধ এবং সিন্থেটিক মাদক রাখার অভিযোগ রয়েছে। প্রতারণার অভিযোগে অ্যারিজোনার ফিনিঙ শহর থেকে কনক পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধষোলশহরে রেলের ওয়াগনের বগি লাইনচ্যুত
পরবর্তী নিবন্ধপালাতে গিয়ে কাদায় আটকাল ছিনতাইকারী