‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ স্লোগানে বর্তমান সরকার জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনতে যাচ্ছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচেনর ইশতেহারেই এমন আশ্বাসের কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ মার্চ। ওইদিন তিনি ক্রীড়াকার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদকজয়ীদের বিশেষ সম্মাননা দেবেন।
শনিবার সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক সরকারের এ পরিকল্পনার কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন। যুব ও প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ২০টি খেলার ১২৯ জন খেলোয়াড়কে মাসিক ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হবে। তালিকা করা হয়েছে ২০২৫ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদক পাওয়া খেলোয়াড়দের রেখে।’ আরচারিতে চারজন, বক্সিংয়ে তিনজন, ইয়োগায় তিনজন, ক্যারমে চারজন, জিমন্যাস্টিকসে চারজন, ব্যাডমিন্টনে সাতজন, নারী ভলিবল দলের ১৪ জন, নারী কাবাডি দলের ১৫ জন, টেবিল টেনিসে দুজন, পুরুষ ব্রিজ দলের আটজন, সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলের ১৪ জন, সেপাক টাকরোয় নারী ও পুরুষ দলের ১৬ জন খেলোয়াড় প্রথম পর্যায়ের ভাতা পেতে যাচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে মাসিক ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হবে এবং প্রতি চার মাস পরপর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হবে। কয়েকদিনের মধ্যে আরও কয়েকটি খেলার ভাতার জন্য মনোনীত ক্রীড়াবিদদের তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ক্রীড়াবিদদের ভাতার পরিমাণ কেমন তা প্রকাশ করেননি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজে এই ঘোষণা দেবেন। তবে পরিমাণটা সম্মানজনকই হবে। আমার বিশ্বাস সবাই খুশি হবেন।’










