সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নগরীতে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার ড্রেন এবং অসংখ্য খাল রয়েছে। এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমি নিজে প্রতিদিন ৩টি করে ওয়ার্ড পরিদর্শন করে নালার মাটি উত্তোলন কার্যক্রম তদারকি করছি। এছাড়া, চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের ওয়ার্ড পর্যায়ে তদারকি করার এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে এমন কাজ করলে ম্যাজিস্ট্রেটদের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্ষার আগে প্রতিটি এলাকায় ভাঙা বা অনুপস্থিত স্ল্যাব ও ম্যানহোলের ঢাকনার তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত মেরামত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বড় নালা ও খালের পাশে যেখানে সুরক্ষা দেয়াল নেই, সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে বাঁশ বা অন্যান্য উপকরণ দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ করা হবে। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নয়, নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।
আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে ৪১টি ওয়ার্ডজুড়ে চলমান নালা–নর্দমা পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল বুধবার এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডের অঙিজেন মোড় থেকে আলপনা ক্লাব পর্যন্ত, ৩নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডে রৌফাবাদ সড়কের পূর্ব পাশ থেকে আতুরার ডিপো পর্যন্ত এবং ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে বিবিরহাট গরু বাজার থেকে আতুরার ডিপো পর্যন্ত এলাকায় নালা–নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে একযোগে সবগুলো ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এ সময় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সরেজমিনে উপস্থিত থেকে চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্নস্থানে কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন এবং নিজ হাতে নালা থেকে ময়লা উত্তোলনের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ–প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি এবং মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














