বেসরকারী স্বাস্থ্য সেক্টরে অবিলম্বে মজুরি বোর্ড গঠন করে নিন্মতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ধার্য করার দাবি জানিয়েছেন বেসরকারী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন, সারাদেশে সরকারি হাসপাতাল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি হাসপাতাল–ডায়গনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কর্মচারী এই সেক্টরে কাজ করে দেশের কোটি কোটি জনগণকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে অথচ এই সেক্টরে এখনও মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়নি। প্রতিদিন জিনিস পত্রের দাম বাড়লেও দীর্ঘ দিন ধরে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি। একেকজন শ্রমিক কর্মচারীর নিম্নতম বেতন বর্তমানে ৩/৪ হাজার টাকা। যেটি অত্যন্ত অমানবিক। অথচ বৈশ্বয়িক করোনার সময় গরীব শ্রমিক–কর্মচারীরা পায়ে হেটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের দুর্দিনে কাজ কাজ চালিয়ে গেছে। অনেকে মারাও গেছে। রাষ্ট্র থেকে এদেরে কোন স্বীকৃতও মিলেনি। নেতৃবৃন্দ বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী মাসিক বেতন পরের মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেতন দেয়ার বিধান থাকলেও বেশীর ভাগ প্রতিষ্ঠানে তা মানা হয় না। শ্রম আইন বাস্তবায়ন ও শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য শ্রম অধিদপ্তর, কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থাকলেও তাদের কোন ভূমিকা বা তৎপরতা নেই। সভায় নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বেসরকারী স্বাস্থ্য সেক্টরে ২০ হাজার টাকা নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ, সকল শ্রমিক কর্মচারিদের নিয়োগপত্র প্রদান, কথায় কথায় শ্রমিক ছাটাই নির্যাতন বন্ধ সহ শ্রমআইন অনুযায়ী সকল সুবিদা প্রদানের দাবি জানান। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩ টায় প্রবর্তক স্কুল মিলনায়তনে বেসরকারী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি মো. আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানে সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলার যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিপ্লব দাস, আদুরি কনা, মাহফুজুর রহমান মারুফ, বিপ্লব চক্রবর্তী, মো রিফাত, রাজিব দাস, মোকাদ্দেসা খানম , বকুল ত্রিপুরা, রুমি আক্তার,সুব্রত বড়ুয়া, আজিজা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












