বাকলিয়ায় দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলি

টেক্সিচালকসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধ, মামলা, গ্রেপ্তার চার, অস্ত্র উদ্ধার

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ৬ এপ্রিল, ২০২৬ at ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নগরের বাকলিয়ার মিয়া খান নগরে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও মারামারি হয়েছে। এতে সিএনজি টেক্সির চালক, পথচারী মিল শ্রমিকসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন। আহতরা হচ্ছেন মো. হাছান (২৬), ফাহিম (১২), জসিম (২৪) ও ইসমাইল মিয়া (৫০)। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। আহত চারজনের পায়ে ছররা গুলির আঘাত রয়েছে বলে চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টায় ময়দার মিল থেকে স্কুলমাঠ রোডে মোরশেদ খান গ্রুপ ও শওকত খান গ্রুপের মধ্যে এ গোলাগুলি ও মারামারি হয়েছে। খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশের একটি টহল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পলাতক একজনের বাড়ি থেকে দেশীয় শটগান উদ্ধার করা হয়।

এদিকে ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বাকলিয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া মো. ফারুক হোসেন (৫০) নামে পলাতক এক আসামির মিয়া খান নগর ম্যাচ ফ্যাক্টরি ইলিয়াছ কলোনির বাসা থেকে দেশীয় লোহার তৈরি কাঠের বাটযুক্ত শটগান, দুটি সাদা প্লাস্টিকযুক্ত শটগানের গুলি ও দুটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, গুলিবর্ষণের ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা মোরশেদ খান পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। নগর পুলিশের তৈরি করা ৩০০ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম রয়েছে। তিনি নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও দলে তার কোনো পদ নেই বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় ফেরেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআভিজাত্যের কোট-গাউন, গরমে আইনজীবীদের হাঁসফাঁস
পরবর্তী নিবন্ধযেভাবে প্রতারণা করতেন রিয়াদ বিন সেলিম