বাংলাদেশ-কানাডা বাণিজ্য সমপ্রসারণে গুরুত্বারোপ

সিটি মেয়রের সাথে টরন্টোতে কনসাল জেনারেলের বৈঠক

| বৃহস্পতিবার , ১০ জুলাই, ২০২৫ at ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ

সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন টরন্টোতে বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল মো. ফারুক হোসেনের সঙ্গে গতকাল বুধবার বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্য ও পেশাদার সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকারে উভয় পক্ষ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ থেকে কানাডায় আমদানি করা সকল পণ্য শুল্কমুক্ত হলেও, বর্তমানে কেবলমাত্র তৈরি পোশাক শিল্প এই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে। অন্যান্য শিল্পেও এই সুযোগ গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। উচ্চ শিপিং খরচ বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে, যা বড় পরিমাণে পণ্য পরিবহনের জন্য বাল্ক শিপিং কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে কমানো যেতে পারে বলে মতামত প্রকাশ করা হয়। কানাডায় বাংলাদেশি প্যাকেজড ও ফ্রোজেন খাবারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে কানাডিয়ান খাদ্য সনদপত্র গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, বিশেষ করে ফ্রোজেন খাবারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর মানদণ্ডের সঙ্গে কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের পারস্পরিক স্বীকৃতির অভাব রয়েছে। বাংলাদেশি পাট পণ্যের কানাডায় চাহিদা থাকলেও, চীনের সস্তা পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা কঠিন। এই ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও মানোন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক হওয়ার প্রয়োজনীয়তা আলোচনা হয়। ব্যক্তিগত পরিচর্যা কর্মী খাতেও বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য সুযোগ রয়েছে, তবে বাংলাদেশের নার্সিং কলেজগুলোকে কানাডিয়ান মানদণ্ডে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া জটিল হওয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট আউটসোর্সিংয়ের সম্ভাবনা থাকলেও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে এই খাত হুমকির সম্মুখীন।

বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল মো. ফারুক হোসেন ও সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উভয়েই এই প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে এবং বাংলাদেশকানাডা সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে আরও আলোচনা ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধলালখানবাজারে ভূমি অফিস আগ্রাবাদ সার্কেলের প্রচারণামূলক মাইকিং
পরবর্তী নিবন্ধচতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী জনশক্তি গড়ে তোলার আহ্বান