যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামাজিক সংগঠন বখতিয়ার সোসাইটি ইউকে’র উদ্যোগে ইংল্যান্ডের মনোরম সমুদ্রসৈকত Frinton-on-Sea-তে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক সভা ও বনভোজন। রোববার দিনব্যাপী আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রায় শতাধিক সদস্য, অতিথি ও শুভানুধ্যায়ী অংশগ্রহণ করেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা Frinton-on-Sea তার বিস্তৃত বালুকাময় সৈকত, দীর্ঘ Esplanade, সবুজ Greensward এবং রঙিন Beach Huts-এর জন্য সুপরিচিত। লন্ডন থেকে প্রায় ৮০–৯০ মাইল দূরত্বে অবস্থিত এই সমুদ্রসৈকতের নির্মল বাতাস ও মনোরম পরিবেশে বনভোজনটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বখতিয়ার সোসাইটি ইউকে’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সংগঠক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, TV24 Bangla-এর চেয়ারম্যান, LIM Group of Companies-এর স্বত্বাধিকারী এবং LIM Foundation Bangladesh-এর চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত সম্মানিত অতিথিবৃন্দও অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সংগঠনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাবের বিএসসি, নুরুল আলম নুরু, হাবিবুর রহমান, আব্দুস সালাম ও নুর আলম সোলায়মান। আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক আলী গাজী, প্রচার সম্পাদক আখতার সাঈদ, সেলিম করিম, ফরিদ আলম, শিক্ষানুরাগী মোঃ সোলায়মান, মোঃ মোন্নাসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও শুভানুধ্যায়ী।
দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল খেলাধুলা, আনন্দ-উল্লাস, পারস্পরিক মতবিনিময় এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর নানা আয়োজন। বক্তারা সংগঠনের চলমান সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। প্রবাসে কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।
বনভোজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পিঠা-পুলির সমাহার। বিশেষভাবে গরম গরম চুলায় তৈরি চনাবুট ও পেঁয়াজু অতিথিদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় গুঁড়া পিঠা, সাচের পিঠা, তালের পিঠা, দুধচিতই, পুলি, ভাপা পুলিসহ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নানা পিঠা।
প্রবাসের মাটিতে দেশীয় খাবার ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলির এ আয়োজন উপস্থিত সবাইকে বাংলাদেশের শেকড়, সংস্কৃতি ও শৈশবের স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
অনুষ্ঠানের শেষে বখতিয়ার সোসাইটি ইউকে’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আসলাম উপস্থিত সকল অতিথি, সদস্য ও আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মিলনমেলার আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।













