পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী বলেছেন, আমি ফিল্ড লেভেল থেকে সচিবালয় পর্যন্ত কোনো গ্যাপ রাখতে চাই না। অনেকগুলো জটিল ইস্যু আছে, সেগুলো আমাদের নিজেদের মধ্যে আছে। সেগুলো সমাধানে আমাদের উদ্যোগী হতে হবে। কাজের মধ্যে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা রাখার চেষ্টা করতে হবে। জনবল কাঠামোতে যে শূন্যতা আছে, সেটার জন্য অব্যাহতভাবে আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে। ইমেইল করে দেন অথবা মেসেজ করে দেন, অথবা হ্যালো করেন। যদি জটিল হয় তবে আমাকে বলবেন। তবে প্রপার চ্যানেলে যাওয়া ভালো। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আমাদের কোথায় সাকসেস হচ্ছে বিষয়গুলো নিয়ে এনাইলাইসিস করা দরকার। ছয় মাসের কাজ করে দেখতে হবে, কোন কাজগুলো ভালো হচ্ছে আর সেখানে কী সমস্যা আছে।
নগরীর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগের সমবায় অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অনেক সমবায় সমিতি নির্বাচন করে না। এর মধ্যে হয়তো এমন কোনো গ্রুপ ঢুকে যায়, যারা আসলে ওই সমবায়ের না। তাই আমাদের আদ্যপান্ত জানতে হবে। অনেকে দেখা যায় সমবায়ে গিয়ে সুবিধা নিচ্ছে। আবার একই ব্যক্তি এনজিওদের থেকেও সুবিধা নিচ্ছে। জুনিয়র ও সিনিয়র কর্মকর্তা, সবার মধ্যে কাজের সমন্বয় থাকতে হবে। আর প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া আপনাদের কাজ করা কঠিন। সুতরাং যে যেখানে কাজ করছেন, আপনারা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখবেন। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, আপনারা খেয়াল করবেন, মানুষজন কিন্তু আর সমবায় সমিতিটা গঠন করতে চাচ্ছে না। তারা সহজেই সমাজসেবা অধিদপ্তরে চলে যাচ্ছে এবং সমিতি নিবেদন করছে। আপনি যদি আপনার গ্রাহক বাড়াতে না পারেন, আপনি যদি সমিতির সাফল্যগুলোকে দেখাতে না পারেন, তাহলে কিন্তু অনেক কিছু আমরা পাব না। আমাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়াটা আসলে রিপিট করতে হবে। প্রতিদিন প্রচুর সমিতি হচ্ছে। তারা কি সমবায়ে অনুপ্রাণিত হচ্ছে? আরেকটি বিষয় হলো, প্রত্যেকটি সরকারি অফিসে কিন্তু জনবলের সংকট আছে। আমার অফিসে আছে সেই সমস্যা। এখন আমি জানি আমি জনবল পাব না। তাই আমাকে ডিজিটালাইজেশনের দিকে যেতে হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমবায় দপ্তরের যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ দুলাল মিঞার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের যুগ্ম নিবন্ধক আশিষ কুমার বড়ুয়া, চট্টগ্রাম জেলা সমবায় অফিসার মো. মোসলেহ উদ্দিন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) উপ–পরিচালক মো. মোশারফ হোসেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম নগরী ও উপজেলার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় কর্মকর্তারা তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।











