ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে যুবক রাজু মিয়া (১৯) হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি ফিরোজ ও তার শাশুড়ি ফাতেমাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ফটিকছড়ি থানার ওসি মোহাম্মদ সেলিম জানান, ২৭ জানুয়ারি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফৌজদারি মোড় এলাকা থেকে ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ফটিকছড়ি থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত একটি ছুরি ও ঘটনার সময় পরিহিত থ্রি–পিস পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তার শাশুড়ী ফাতেমাকেও গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান ওসি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত রাজুর সঙ্গে প্রতিবেশী তুসির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং দুজন পালিয়ে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তুসির বোন জামাই ফিরোজ। যদিও পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে সামাজিক বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা হয়, তবে সেই সমাধান মেনে নিতে পারেননি ফিরোজ ও তার শাশুড়ী ফাতেমা। অভিযোগ রয়েছে–ফাতেমার ইন্ধনে পরিকল্পনা করে ফিরোজ রাজুকে ডেকে এনে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন এবং মরদেহ গোপন করতে বালুর মধ্যে পুঁতে রাখেন। পাঁচ দিন পর দুর্গন্ধ ছড়ালে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মামলার তদন্তে নেমে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ সেলিম জানান, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।












