রোজার ঈদ সামনে রেখে দেশের প্রায় শতভাগ কারখানায় শ্রমিকদের বেতন–বোনাস হয়ে যাওয়ার তথ্য দিয়েছে বিজিএমইএ। পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের এ সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, তাদের সদস্যপদ থাকা ৯৯ দশমিক ৮১ শতাংশ কারখানায় ঈদের বোনাস হয়ে গেছে। আর ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিয়েছে ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ কারখানা।
গতকাল বুধবার ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে পোশাক খাতের কারখানাগুলোর বেতন–বোনাসের তথ্য তুলে ধরেন তিনি। মাহমুদ হাসান বলেন, মোট ১ হাজার ৭৮৩টি কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে। খবর বিডিনিউজের।
দুটি কারখানা বেতন পরিশোধ করতে পারেনি তুলে ধরে তিনি বলেন, একটির রপ্তানি বিল গত ১৭ মার্চ আসার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আসেনি, ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে বিকল্পভাবে বিল জমা নিয়ে অর্থের সংস্থান করার। ঈদের আগেই তা সমাধান হবে বলে মনে করেন তিনি।
আরেকটি কারখানার ৮০ জন কর্মচারী রয়েছেন। সেখানেও সমস্যা কেটে যাবে মন্তব্য করে মাহমুদ হাসান বলেন, সদস্য কারখানার ১ হাজার ৭৮১টি ঈদ বোনাস দিয়ে দিয়েছে। চারটি কারখানা ঈদের বোনাস দিতে পারেনি। মোট কারখানার ৬৪ শতাংশ মার্চ মাসের আংশিক বেতন দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে ব্যাংক থেকে পাওয়া ও প্রণোদনার বকেয়া থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকার নগদ ছাড় করায় বেতন বোনাস দেওয়া সম্ভব হয় বলে জানান মাহমুদ হাসান। আগে ঈদের সময়ে প্রণোদনার ২ থেকে ৩ মাসের অর্থ পরিশোধ করা হলেও এবার ৫ মাসের দেওয়া হয়ে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান বিজিএমইএ সভাপতি।









