জাপানের প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার পার্লামেন্ট বিলুপ্ত করে দিয়ে আগামী মাসে নতুন নির্বাচনের পথ খুলে দিতে যাচ্ছেন। এ আগাম নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থনের প্রমাণ দিয়ে নিজের ক্ষমতা সুসংহত করতে পারবেন বলেই তার আশা, বলছে বিবিসি। এটা খুবই ওজনদার সিদ্ধান্ত, যা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জাপানের পথ নির্ধারণ করবে, সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি এমনটাই বলেছেন। জাপান পরিচালনায় তার ওপর আস্থা রাখতে ভোটারদের প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন এ নারী প্রধানমন্ত্রী।
৮ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া ভোটে জাপানিরা তাদের পার্লামেন্টের প্রভাবশালী নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ৪৬৫ সদস্যকে বেছে নেবেন। গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকে তাকাইচি ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা দৃঢ় জনসমর্থন উপভোগ করছিলেন। তার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) হাতে এখন নিম্নকক্ষের ১৯৯টি আসন রয়েছে, এর মধ্যে তিনটি তাদের স্বতন্ত্র অংশীদারদের। এত সমর্থন পার্লামেন্টে আর কারও নেই। জাপান ইনোভেশন পার্টির সঙ্গে এলডিপির জোট নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে যথেষ্ট। খবর বিডিনিউজের।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের শিষ্য ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের স্বঘোষিত ভক্ত জাপানের প্রথম এ নারী প্রধানমন্ত্রী দেশে ‘আয়রন লেডি’ নামে খ্যাত। ডিসেম্বরে তার মন্ত্রিসভা রেকর্ড ৯ ট্রিলিয়ন ইয়েনের (৫ হাজার ৭০০ কোটি ডলার) প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদন করেছে। তাও এমন এক সময়ে যখন চীনকে নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে; অঞ্চলজুড়ে প্রতিবেশীর সামরিক কর্মকাণ্ডকে টোকিও এখন ‘সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ’ হিসেবেই দেখছে।












