মীরসরাইয়ের বারইয়াহাট কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কোনো বিরোধ বা দ্বন্দ্বের জের ধরে একই কেন্দ্রের অপর বিদ্যালয়ের দুই এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ক্ষুর দিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রবিবার দুপুরে বারইয়ারহাট কলেজ এলাকার বিএম হাসপাতাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন বারইয়ারহাট কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরীক্ষার্থী শাখাওয়াত হোসেন জিহান ও মুহাম্মদ মুনায়েম। তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত জিহানের বাবা মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আজকের (গতকাল) পরীক্ষা শেষ করে জিহান ও তার বন্ধু মুনায়েম কলেজ কেন্দ্র থেকে বের হয়ে বাড়ির পথে রওনা দেয়। বিএম হাসপাতালের সামনে পৌঁছালে করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০–১২ জন পরীক্ষার্থী তাদের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে।
আহত শাখাওয়াত হোসেন জিহান বলেন, পরীক্ষা শেষে বের হওয়ার পর হঠাৎ করে আমার বন্ধু মুনায়েমকে মারধর শুরু করে কয়েকজন। আমি তাকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও ক্ষুর দিয়ে জখম করা হয়। বারইয়ারহাট স্কুলের কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সহকারী সচিব নাছিমা আক্তার বলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি কেন্দ্রে ছিলাম। কেন্দ্রের ভেতরে কোনো ঘটনা ঘটেনি।
হামলার বিষয়ে করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িত কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলা হবে। মীরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আগে জানতাম না। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












