ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেছেন, ১২ তারিখ নির্বাচন বানচাল করতেই আজ আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। সুতরাং এ নির্বাচন অবশ্যই হতে হবে এবং সেটা ১২ তারিখেই হতে হবে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাদের আমাদের রুখে দিতে হবে। গতকাল শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। জাবের বলেন, যারা ১২ তারিখে নির্বাচন বানচাল করে দেওয়ার জন্য আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে, তাদের এ নীল নকশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আমাদের জনগণের অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, গণভোটে অবশ্যই আপনারা হ্যাঁ দেবেন। কারণ জুলাই সনদ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত, নিরাপত্তা সবকিছু জড়িয়ে আছে। যার কারণে জুলাই গণভোটে আপনাদের অবশ্যই হ্যাঁ দিতে হবে এবং যারা সৎ ও যোগ্য–তারা যে দলেরই হোক না কেন–তাদের ভোট দিয়ে আপনাদের ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে। খবর বাংলানিউজের।তিনি বলেন, আমার আশেপাশের দুজন প্রচণ্ডভাবে আক্রান্ত হয়েছে, আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। আমার পাশে সালাউদ্দিন আম্মারকে মাথা লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে। ওর মুখে সেলাই দিতে হয়েছে। হাতে ব্যান্ডেজ। জুমার গালের প্রত্যেকটা জায়গা আচড়ানো। মাথায় বাড়ি দিয়েছে। শান্তাকে গলা টিপে ধরেছে।
আমাদের এবং ইনকিলাব মঞ্চের যারা ভেতরে ছিল, আমাদের ওখান থেকে গুলি করে, রাবার বুলেট ছুড়ে সরিয়ে দেওয়ার পরে আমাদের যে ভাইয়েরা ভেতরে আটকা ছিল, শত শত পুলিশ তাদের নির্বিচারে পিটিয়েছে। ফাহিমসহ দুই–তিনজনের হাত ভেঙে গিয়েছে এ পিটুনিতে। আমাদের আরেকজন কর্মী যার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিল, যাকে অঙিজেন দিয়ে তারপরে হসপিটালে নিয়ে আসতে হয়েছে এবং তাকে প্রচণ্ডভাবে মাথায়, হাতে, কোমরে সব জায়গায় এত পেটানো হয়েছে যে সে এখন ট্রমাটাইজড–যোগ করেন তিনি।
জাবের বলেন, তারা আমাদের খুন করবার উদ্দেশ্য নিয়েই এ আক্রমণটা করেছে। আমরা আমাদের এক ভাইকে হারিয়েছি। এরপরও যদি আমরা আমাদের কোনো ভাইকে হারাই, এরপরও নির্বাচন হইতে হবে। নির্বাচন পেছানো যাবে না। নির্বাচনের পরে যেই রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি এ ব্যাপারে কোনো সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেয়, আমরা তাদের জীবন জাহান্নাম বানায় দেব।












