নাইক্ষংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের হলদ্যাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুল আজিম। বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার। নিজের জমি নেই, তবুও তিনি একজন সফল চাষি। জনসেবার পাশাপাশি কৃষি কাজেও রয়েছে তার সুনাম। বর্ষা ও শুকনো মৌসুমে ধান চাষের পাশাপাশি শীতকালীন সবজি আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় দুই একর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। সবজির মধ্যে রয়েছে মুলা, বেগুন, তীত করলা, আলু, মিষ্টি কুমড়া, ভুট্টা ইত্যাদি।
নুরুল আজিম মেম্বার জানান, আমি একজন কৃষক। আগে থেকেই কৃষি কাজ করতাম। বর্ষা ও শুকনো মৌসুমে বুরো-আমন ধান চাষ করি। তাছাড়া প্রতিবছর শীতকালীন সবজি চাষ করে থাকি। তাই এ বছরও ২ একর জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেছি। এ পর্যন্ত ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই মৌসুমে ৫ লাখ টাকা আয় হবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, বাইশারীতে সবচেয়ে বেশি ধান চাষ করি। নিজের এক খণ্ড জমিও নেই। মানুষের জমি বর্গা নিয়ে করি। মানুষের পাওনা দিয়ে বাকি টাকা দিয়ে সংসার ভালোই চলছে। তবে কৃষক হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। কৃষি অফিসার ক্ষেত পরিদর্শন করে পরামর্শ দেন। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সময়মতো সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করি।
স্থানীয় বাসিন্দা মুফিজুর রহমান জানান, জনসেবায় যেমন সুনাম রয়েছে, কৃষি কাজেও তার রয়েছে সফলতা।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শহিদুল্লাহ জানান, ইউপি মেম্বার নুরুল আজিমের ধান ও সবজি ক্ষেত পরিদর্শন করেছি। তাকে সময়মতো কীটনাশক ও সার প্রয়োগের পরামর্শ দিয়েছি।











