হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে নতুন সেই নির্বাচক কমিটির দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে গত বুধবার। প্রথম দিনেই বিসিবিতে সভায় বসেছিলেন চার সদস্যের এই কমিটি। সেখানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সম্ভাব্য সেরা দলটিকেই বেছে নিতে চান বলে জানান প্রধান নির্বাচক।
সেরা দলের প্রশ্নটি উঠছে মূলত নিউজিল্যান্ডের স্কোয়াড থেকে। তাদের শীর্ষ ক্রিকেটাররা ব্যস্ত আইপিএল ও পিএসএলে। বাংলাদেশ সফরের দুই সংস্করণের যে দল তারা ঘোষণা করেছে, সেটিকে ‘সি’ দল বা টেনেটুনে ‘বি’ দল বলা যায়। টম ল্যাথামের নেতৃত্বে এই দলে প্রথম সারির অন্তত ১৫–১৬ জন ক্রিকেটার নেই। বাংলাদেশ তাই কোন পথে হাঁটবে। নিউজিল্যান্ড যেখানে সেরা দল পাঠায়নি, বাংলাদেশের জন্য দারুণ সুযোগ সিরিজ জয়ের, এমনকি তিনটি ম্যাচই জিতে রেটিং পয়েন্ট বাড়ানোর। তবে অন্য এক ভাবনার স্রোতও তো থাকতে পারে। প্রতিপক্ষ যখন এত অনভিজ্ঞ, তখন দেশের মাঠের সিরিজটি তো বাংলাদেশের জন্যও কিছু নতুন ক্রিকেটারকে বাজিয়ে দেখার সুযোগ হতে পারে। হাবিবুল বলেন,‘আমাদের জন্য প্রতিটি সিরিজই গুরুত্বপূর্ণ। দল নির্বাচনেও সেটির ছাপ থাকা উচিত। নিউজিল্যান্ড কেমন দল পাঠিয়েছে, তারা কেমন করতে পারে, সেসব আমাদের ভাবা জরুরি নয়। আমরা ভাবব, আমাদের জন্য কোনটি আদর্শ। তার পরও সবার সঙ্গে কথা বলে পরে এসব নিয়ে আরও বিস্তারিত জানাতে পারব। তবে আমার ব্যক্তিগত ভাবনা হলো, সেরা দল খেলানোই ভালো।’ প্রধান নির্বাচক হিসেবে নাম ঘোষণার পরই পূর্ব নির্ধারিত উমরাহ করতে গিয়েছিলেন হাবিবুল। ফিরেছেন মঙ্গলবার। এসবের ফাঁকে নিউজিল্যান্ডের স্কোয়াড তিনি দেখেছেন। তারকা ক্রিকেটাররা না থাকলেও কিউইদের শক্তি যে খারাপ নয়, সেটিও মনে করিয়ে দিলেন প্রধান নির্বাচক। ‘নিউজিল্যান্ডের দলটা কিন্তু বেশ ভালো। তারকা ক্রিকেটার হয়তো কম, কিন্তু কার্যকর ক্রিকেটার আছে অনেক। ওদের ক্রিকেটের গভীরতা কেমন, সেটা গত কয়েক বছরে গোটা ক্রিকেট বিশ্বই দেখেছে। ওরা খুবই পেশাদার দল। কাজেই আমরা সহজেই জিতে যাব, এমনটি ধরে রাখার কারণ নেই। জিততে হলে আমাদেরকে ভালো খেলেই জিততে হবে।’ তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে আসবে নিউজিল্যান্ড দল।











