দাপুটে জয় তুলে নিয়ে আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করে নিয়েছে পাকিস্তান। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে গ্রুপ পর্বে বাঁচা–মরার ম্যাচে গতকাল বুধবার নামিবিয়াকে ১০২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শেষ আটে উঠে যায় সালমান আলী আগার দল। টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ওপেনিংয়ে সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব ভালো সূচনা আনলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সাইম। ১২ বলে ১৪ রান করে দলীয় ৪০ রানে বিদায় নেন তিনি। পাওয়ারপ্লে শেষে ১ উইকেটে ৪৭ রান ছিল পাকিস্তানের। এরপর তিন নম্বরে নেমে অধিনায়ক সালমান আলী আগা ইনিংসের গতি বাড়ান। ফারহানের সঙ্গে তার জুটিতে এগিয়ে যায় দলের রানের চাকা। ২৩ বলে ৩৮ রান করে সালমান ফিরলেও তখন বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় পাকিস্তান। চারে নামা খাজা নাফে সুবিধা করতে পারেননি। তবে ফারহান থামেননি। শাদাব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইনিংসকে আরও এগিয়ে নেন তিনি। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফিফটি পূর্ণ করার পর সেঞ্চুরির দিকেও ছুটে যান ফারহান। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শাদাব ২২ বলে ৩৬ রান যোগ করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের শক্ত সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান। নামিবিয়ার হয়ে দুটি উইকেট নেন জ্যাক ব্রাসেল, একটি শিকার জেরার্ড ইরাসমাস। ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নামিবিয়া। দুই ওপেনার জান ফ্রাইলিংক ও লরেন স্ট্যানক্যাম্প ৩২ রান তুললেও দ্রুত ভাঙে জুটি। ফ্রাইলিংক ৯ রান করে ফিরলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। পাওয়ারপ্লে শেষে ২ উইকেটে ৪০ রান থাকলেও এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। লরেন ২৩ ও অ্যালেক্সান্ডার বুসিং–ভলশেঙ্ক ২০ রান করেন, বাকিরা কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৯৭ রানেই গুটিয়ে যায় নামিবিয়ার ইনিংস। শেষ ৮ উইকেট পড়ে মাত্র ৫৪ রানের মধ্যে। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে উসমান তারিক ছিলেন সবচেয়ে সফল, নেন ৪ উইকেট। শাদাব খান শিকার করেন ৩টি। এছাড়া সালমান মির্জা ও মোহাম্মদ নওয়াজ নেন একটি করে উইকেট। বড় এই জয়ে গ্রুপ থেকে ভারতের সঙ্গী হয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিল পাকিস্তান।










