
স্থাপত্য একটি দেশের প্রতিচ্ছবি। স্থাপত্য দেশকে পরিচিতি দেয়। স্থাপত্যের শৈল্পিক দিক থাকবে, দিক–নির্দেশনা থাকবে ও একটি নিজস্ব স্টাইল থাকবে। সেই নিজস্ব স্টাইল একটি দেশের সভ্যতার অন্যতম পরিচায়ক। এদেশে মুসলমানদের শিল্প ঐতিহ্য প্রথমত স্থাপত্যকে নির্ভর করে বিকশিত হয়েছে। মুসলমানদের আগমনের পর বিভিন্ন স্থাপত্য ইমারত নির্মাণের ফলে ইসলামী স্থাপত্য শিল্প বাংলার স্থাপত্য শিল্পের সংস্পর্শে আসে। প্রায় সাতশ বছর ধরে মুসলমানেরা বাংলায় মসজিদ, সমাধি, দুর্গ ইত্যাদি নির্মাণের ফলে স্থাপত্যকীর্তির এক অনুপম ঐতিহ্য গড়ে তোলে। বাংলার মুসলিম স্থাপত্যকে দুটি প্রধান স্থাপত্য রীতিতে বিভক্ত করা যায়। যথা : সুলতানি রীতি ও মোগল রীতি। গৌড়ে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত নির্মিত ইমারতসমূহ সুলতানি স্থাপত্য রীতি এবং ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে নির্মিত ইমারতসমূহ মোগল স্থাপত্যরীতির আওতাভুক্ত। স্বাধীন সুলতানি রাজবংশের ইতিহাস দুশো বছরের ঊর্ধ্বের, মোগলদেরও অনেকটা তা–ই। সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলার মোগল স্থাপত্য ক্রমান্বয়ে সুলতানি স্থাপত্যের স্থান দখল করে। এবং দীর্ঘ দুশো বছরের বেশি সময় অতিক্রমণের ফলে এই স্থাপত্যই দেশজ স্থাপত্যে গৃহীত হয়।
মোগল সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি বিশাল অংশ জুড়ে আছে মসজিদ। সুবা বাংলার সরকার ইসলামাবাদ তথা বর্তমান চট্টগ্রামের অন্তর্গত দেয়াঙ পরগণায়ও মসজিদ কেন্দ্রিক স্থাপত্য নিদর্শন দৃশ্যমান। মোগল আমলে দেয়াঙ পরগণায় নির্মিত মধ্যযুগীয় বাংলার অতীত ইতিহাসের গৌরব বহনকারী যেসব স্থাপত্যিক নিদর্শন ধ্বংসপ্রায় উপেক্ষা করে আজও টিকে আছে তন্মধ্যে ফৌজদার মসজিদ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দেয়াঙ পরগণার ঐতিহাসিক শিলাইগড়া গ্রামেই আমার জন্মস্থান। সেই সূত্রে শৈশব থেকে দেখা এই স্থাপত্য ইমারত সম্পর্কে কৌতুহল পরবর্তীতে ইতিহাসের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকতায় সম্পৃক্ততার সুবাদে এই মসজিদের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহে আগ্রহী হই। এছাড়া আমার প্রয়াত আব্বা মরহুম মোহাম্মদ হামিদুর রহমান চৌধুরী (সাবেক সরকারি কর্মকর্তা) থেকে ফৌজদার মসজিদ সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য এ প্রবন্ধে সহায়তা করে।
ফৌজদার মসজিদ দেয়াঙ পরগণায় মোগল স্থাপত্য বিকাশ ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমারত। যে কোন স্থাপত্য কীর্তির সুক্ষাতিসুক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ ছাড়া তার পরিচয় অনুধাবন সম্ভব নয়। ফৌজদার মসজিদের ক্ষেত্রে একথা সমভাবে প্রযোজ্য। এই মসজিদের নির্মাণ পদ্ধতি, স্থাপত্যশৈলী ও অলংকরণ–শৈলীর দিক থেকে বৈচিত্র্যময় সৃজনশীল দক্ষতার অপূর্ব স্বাক্ষর বহন করে।
দেয়াঙ পরগণার ঐতিহাসিক এলাকা শিলাইগড়া যেটি ছিল পূর্বে আনোয়ারা থানার দক্ষিণে জলাশয় ঘেরা একটি দ্বীপ। এ দ্বীপেই ছিল আরাকান শাসিত দেয়াঙ রাজ্যের সামন্তরাজার সিপাহিগড়। সিপাহীগড় থেকে ১৬৬৬ সালে মোগল বিজয়ের পর আরাকানের মগ সৈন্যরা দক্ষিণে চলে গেলে মোগলবাহিনীর কয়েকটি পরিবার এ দ্বীপে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। বসবাসকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য– বখশে আলী ফৌজদার পরিবার, সামাদ আলী থানাদার পরিবার, জান আলী মুন্সি পরিবার, কালা সরদার পরিবার, সৈয়দ পরিবার, কালু মুহুরি পরিবার, সিকদার পরিবার ও মাতব্বর পরিবার উল্লেখযোগ্য।

মোগল আমলে নির্মিত বখশে আলী ফৌজদার মসজিদটি শিলাইগড়া গ্রামের প্রথম মসজিদ। এটি এমনই একটি ইমারত যার স্থাপত্যিক গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও লোকচক্ষুর অন্তরালে অবস্থান করছে। মোগল স্থাপত্য রীতিতে তৈরি আলোচ্য মসজিদটি ১৭০০ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় বলে জানা যায়। কারণ নবাব শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমেদ খান ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম জয় করার পরই এ অঞ্চল তথা দেয়াঙ পরগণায় মোগল স্থাপত্য রীতিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হয়। ইতোপূর্বে শিলাইগড়া গ্রামে কোন ইবাদতখানাও ছিল না। তাই বখশে আলী ফৌজদারই সর্বপ্রথম এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে মসজিদ নির্মাণ করেন এবং সে সময় থেকে এই মসজিদে ওয়াক্তিয়া নামাজের পাশাপাশি জুমার নামাজও পড়ানো হয়।
ফৌজদার মসজিদ মোগল স্থাপত্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন তা প্রথম দর্শনেই বোঝা যায়। সমগ্র মসজিদ এলাকাটি একটি দেয়ালঘেরা বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা আবৃত। ১ একর জায়গা জুড়ে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের দৈঘ্য ২০০ ফুট ও প্রস্থ ১৫০ ফুট। ভেতরে জামায়াতের জন্য ৪–৫ টি কাতার ছিল। প্রতি কাতারে ৩৬ জন মুসল্লীর স্থান সংকুলান হতো। পূর্বদিকে প্রাচীরের মধ্যভাগে নির্মিত অর্ধবৃত্তাকার খিলানের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে হয়। মসজিদের দেয়ালগুলো সরু চ্যাপ্টা ইটের তৈরি এবং দেয়ালের উপরিভাগ পলেস্তার করা। মসজিদটি আয়তক্ষেত্রকার এবং চারকোণে চারটি ছোট মিনার, উপরে তিনটি গম্বুজ এবং পূর্বদিকে তিনটি খিলানের দরজা আছে। তিন গম্বুজের মধ্যবর্তী গম্বুজটি অনেক বড়, বাকি দুটি ছোট; ভোল্ট বা ধনুকাকৃতি ছাদের সাহায্যে পাশের গম্বুজটি আকারে ছোট করা হয়েছে। প্রত্যেক গম্বুজের শীর্ষে পদ্ম বা খোলস বসানো হয়েছে। বৃহৎ গম্বুজগুলি খাড়াভাবে ছাদের উপর বসানো হয়েছে। মসজিদের প্রাক্তন খতিব থেকে জানা যায়, “একসময় এই গম্বুজের উপরে পদ্মফুল আকৃতির বিশাল কারুকার্য শোভিত নির্মাণশৈলী ছিল। ব্রিটিশ আমলের শেষের দিকে সংস্কার কাজ করতে গিয়ে সেই পদ্মফুলটি ভেঙ্গে ফেলা হয়।” গম্বুজের স্কন্ধ বা গর্দান নেই। ছাদের কিনারা বরাবর পাঁচিলে নিয়মিত লাইনে পলেস্তারা করা ঝুঁটি বা শিখার কিঞ্চিৎ পরিবর্তন করা লক্ষ্য করা যায়।
মসজিদের সামনের দেওয়াল বেশ বৈচিত্র্যময় এবং কারুকার্যময়। খিলানটি কিঞ্চিৎ অভিক্ষিপ্ত এবং উভয় পাশে দেওয়ালের সাথে সংলগ্ন মিনার আছে। বেশ কয়েকটি আয়তাকৃতি কাঠামোর সাহায্যে খিলানটি নির্মিত হয়েছে। এবং এই খিলানের ঠিক উপরে শিলালিপি বসানো ছিল। মিহরাব মোটামুটি সাদাসিধে ধরণের। মসজিদের ভিতরেও কারুকার্যমণ্ডিত। প্রত্মতাত্ত্বিক গুরুত্ব প্রদান না করে পরবর্তীতে সংস্কার কাজ করতে গিয়ে শিলালিপিটি ঢাকা পড়ে যায়। স্থাপত্য ইমারতের নির্মাণকাল নির্ধারণে এবং তার নির্মাতা সম্বন্ধে জানতে সাধারণত: সেই ইমারতের গাত্রে উৎকীর্ণ শিলালিপিই প্রধান এবং প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু এই মসজিদের শিলালিপি ঢেকে যাওয়ায় মসজিদের প্রকৃত সময়কাল নির্ধারণ করা সম্ভবপর হয়নি।
মুসল্লী সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি হওয়ার ফলে ২০০২ সালের দিকে মসজিদের সম্মুখে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৩০ ফুট প্রস্থ একটি বারান্দা নির্মাণ করা হয়। সম্প্রসারণের ফলে ৯–১০ কাতারে ৩৩০–৩৪০জন মুসল্লি নামায আদায় করতে পারে। এই মসজিদে বহুবার সংস্কার কাজের ফলে ঘনঘন চুন বালির জন্য এর দৃঢ়তা, দীর্ঘায়ু ও স্থায়িত্ব অর্জিত হয়েছে বটে কিন্তু তার বিনিময়ে মসজিদের গাম্ভীর্য ও মৌলিকতা ক্ষুণ্ন হয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব মকছুদুর রহমান চৌধুরী বলেন, “বখশে আলী ফৌজদার মসজিদ বহুবার সংস্কারের ফলে এর গাত্রালংকার বিলুপ্ত হয়েছে বটে কিন্তু মোগল আমলের প্রথমভাগের অন্যান্য স্থাপত্যসমূহের মতো ধ্বংসপ্রায় অবস্থায় পতিত হয়নি। মোগল স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রেখে মসজিদটি এর নিজস্ব ভূমি নকশার উপরে দণ্ডায়মান রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, এই মসজিদটি শিলাইগড়া গ্রামের প্রথম মসজিদ যা প্রায় ৩০০ বছরেরও অধিক পুরনো। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এখানে জুমার নামাজও আদায় করা হয়।” জামে মসজিদটি স্থানীয়দের নিকট ‘বড় মছইদ’ হিসেবেও পরিচিত। সম্প্রতি মসজিদের ভিতরে অত্যাধুনিক টাইলস ফিটিংস করা হয়েছে।
ধর্মীয় স্থাপত্যের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন মসজিদ। সাধারণ জনগণের মন জয় করার উদ্দেশ্যে অপরিকল্পিতরূপে মসজিদের নবায়ন, পরিবর্ধন, সম্প্রসারণ ও সংযোজন করা হয়ে থাকে। কখনও অধিক সংখ্যক লোকের নামাজের স্থান সংকুলানের জন্য মসজিদকে সম্প্রসারণ করে মূল মসজিদের ক্ষতি সাধন করা হয়। সম্প্রতি এই মসজিদের ব্যাপক সংস্কার করে মসজিদের সম্মুখভাগে বারান্দা নির্মাণ একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। প্রত্মতাত্ত্বিক গুরুত্ব প্রদান না করে সংস্কারের ফলে মসজিদের আদি অবয়ব আজ হারাতে বসেছে। বারান্দা নির্মাণের কারণে মসজিদের সামনের অংশে সেই পুরনো ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টিনন্দন অবয়ব বাইরে থেকে বুঝা যায় না। তবে বাইরের পেছনের অংশে এবং ভেতরে পুরনো আদল ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন সংস্কারকর্মীরা।
ফৌজদার মসজিদের মোতওয়াল্লী জনাব মোহাম্মদ রাসেল (ফৌজদারের ৫ম বংশধর) থেকে জানা যায়, “মসজিদের উত্তর–পশ্চিমেই বিশাল এলাকা জুড়ে বখশে আলী ফৌজদারের পাকা দালান বাড়ি ছিল। কালা সরদার, রাজা সরদার ও অলি সরদার তথা এই তিন সরদারের বিদ্রোহের কারণে বখশে আলী ফৌজদারকে দিল্লির মোগল সম্রাটের এক আদেশে চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী অঞ্চলে বদলি করা হয়। রাজশাহী যাওয়ার পথেই তিনি আততায়ীর হাতে নিহত হন। ফৌজদারের বদলি ও সরদারদের চরম আক্রোশের ফলে ফৌজদারের একমাত্র পুত্র এরশাদ আলী নিহত হন এবং রাতের আধারে ২ শিশু পুত্রকে নিয়ে এরশাদ আলীর স্ত্রী প্রাণভয়ে শ্বশুর বখশে আলী ফৌজদারের বাড়ি ত্যাগ করেন। ফলে দীর্ঘ প্রায় অর্ধশত বৎসর ধরে বখশে আলী ফৌজদারের সেই ঐতিহাসিক বাড়িটি পরিত্যাক্ত হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।” প্রাচীন সেই ফৌজদার বাড়িটি কখন কিভাবে ধ্বংস হয়েছে কারো জানা নেই। ধ্বংসস্তুপ বিশাল বাড়ির চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রাচীন ইট ও ইটের ভগ্নাংশ। মূল ভবনের উত্তর পাশে একটি পুকুর আছে, ঐ পুকুর পাড়ের চতুর্দিক ও তলা পাকা। বিশাল এলাকা জুড়ে এ বাড়ির সীমানায় মনে হয় ইট ও ইটের ভগ্নাংশ ছাড়া কোনো জায়গা খালি নেই। প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, ইটগুলো মোগল আমলে নির্মিত। তবে ব্রিটিশ আমলে পরবর্তী বংশধররা পরিত্যক্ত ভিটায় নতুন বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে। বাড়ির পাশেই রয়েছে বিশাল দীঘি যা ‘ফৌজদার দীঘি’ নামে পরিচিত। দীঘির উত্তরে ফৌজদার হাটের নিকটেই খালের উপর পাকা পুল ‘ফৌজদার পুল’ হিসেবে পরিচিত। এছাড়া আনোয়ারা এবং চট্টগ্রামে ফৌজদার বংশধরদের বিশাল জমিদারি ছিল বলে জানা যায়। এলাকার জনসাধারণের সুবিধার্থে বখশে আলী ফৌজদারের এসব কীর্তি তথা মসজিদ, পুকুর–দীঘি, পুল ও হাট–বাজার প্রতিষ্ঠা যা মোগল আমলের অতীত ইতিহাসের শৌর্য–বীর্য, প্রভাব প্রতিপত্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
দেয়াঙ পরগণার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য গড়ে উঠার মূলে সূফী–সাধক, দরবেশ, মখদুম, অলি–আউলিয়াদের অবদান রয়েছে যথেষ্ট। মাদ্রাসা, মসজিদ, খানকাহ, লঙ্গরখানা নির্মাণে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। তবে এ কথা সত্য যে, কোনো দেশের শাসকবর্গ তথা সুলতান ও নবাবদের সমর্থন, আনুকূল্য–সহযোগিতা ব্যতীত এরূপ একটি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ইমারত নির্মাণ সম্ভবপর হতো না। এ অঞ্চলে স্বল্প হলেও কিছু সংখ্যক মুসলিম ধর্মীয় ইমারত টিকে থাকার মূলে এখানকার মুসলমানদের ধর্মীয় মানসিকতা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। সার্বিক বিশ্লেষণে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, মোগল আমলের প্রাথমিক পর্যায়ের স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে বখশে আলী ফৌজদার কর্তৃক নির্মিত দেয়াঙ পরগণার ফৌজদার মসজিদটি অনন্য স্থান দখল করে আছে।
তথ্যসূত্র :
১. আবদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতি, ১৯৮০;
২. শামসুল হোসাইন (সম্পাদিত), ঐতিহ্যায়ন, রজত জয়ন্তী বক্তৃতা ও অন্যান্য প্রবন্ধ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর, ২০০৩;
৩. জামাল উদ্দিন, দেয়াঙ পরগণার ইতিহাস [আদিকাল], ২০০৬;
৪. এ.বি.এম. হোসেন (সম্পাদিত), স্থাপত্য, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ২০০৭;
৫. Centenary Commemorative Volume (1913–2013), Bangladesh National Museum, 2013.
লেখক : প্রাবন্ধিক, পিএইচডি গবেষক, সহকারী অধ্যাপক,
ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।













