অন্য মামলায় আগে থেকে কারাগারে থাকা এক ব্যক্তিকে থানা ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলেছে আদালত। চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহদিম সাত্তার গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন। নুর হোসেন রবিন নামের ওই ব্যক্তি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত সীতাকুণ্ড থানার একটি মামলায় কারাগারে ছিলেন। পরে ২২ অগাস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এখনো তিনি কারাগারে আছেন। খবর বিডিনিউজের।
এদিকে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট পাহাড়তলী থানায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় নুর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখাতে গত ২২ জানুয়ারি আদালতে আবেদন করেন এসআই আরিফুজ্জামান খান। গত সোমবার ওই আবেদনের ওপর শুনানির ধার্য দিনে আসামির আইনজীবী আদালতে বলেন, থানায় হামলার ঘটনায় নুর হোসেন রবিনকে আসামি করতে বলা হচ্ছে, অথচ ওইদিন তিনি কারাগারে ছিলেন। এরপর আদালত এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কাছে প্রতিবেদন চায়। জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ মঙ্গলবার আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। সেখানে বলা হয়, কারাগারের রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নুর হোসেন রবিন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত সীতাকুণ্ড থানার একটি মামলায় কারাগারে ছিলেন। আসামির আইনজীবী নয়ন মনি দাশ বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পুলিশের করা ওই আবেদনটি বাতিল করেছে। একই সঙ্গে আবেদনকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলেছেন।’
জানতে চাইলে পাহাড়তলী থানার এসআই আরিফুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘ওই মামলায় নুর হোসেন রবিনের এক বন্ধুকে গ্রেপ্তারের পর সে বলেছিল, থানা ভাঙচুরের সময় তার সাথে রবিনও ছিল। হয়ত ওই বন্ধু শত্রুতা করে বলেছিল। তার তথ্যে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলাম। আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।’












