গীত, বাদ্য, নৃত্য শিল্পের প্রধান এই তিন অনুষঙ্গ নিয়ে শিশু–কিশোরদের মানস গঠনে কাজ করে যাচ্ছে ত্রি কলা সংগীত একাডেমী। চট্টগ্রামের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল এই প্রতিষ্ঠানে গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হল বর্ষ সমাপনী পরীক্ষা। প্রতিষ্ঠানের প্রারম্ভিক বর্ষ থেকে পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীরা এদিন লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মৎস্য বিজ্ঞানী নীলরতন দাশ গুপ্ত, নৃত্য শিক্ষিকা মৌসুমী দেবী, গানের শিক্ষিকা সোমা দেবী, তবলা শিক্ষক সেতু ধর, ড্রয়িং শিক্ষিকা শান্তা দত্ত ও গিটার শিক্ষক বিজয় দাশ।
প্রতিষ্ঠানের নৃত্য শিক্ষিকা মৌসুমী দেবী বলেন, নৃত্য হল আত্মার গোপন কথা। মুদ্রার তালে এগিয়ে চলে নৃত্য। ক্লাসিকাল এবং সাধারণ উভয় ধরনের নৃত্যই শিশু–কিশোরদের মানস ও শরীর গঠনে বড় ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে সংগীত মানুষের আবেগ, মন ও শরীরের বিকাশের জন্য অপরিহার্য। কারণ এটি মানসিক চাপ কমায়, স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতা বাড়ায়, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে, সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে এবং সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে যা জীবনের সামগ্রিক সুস্থতা ও পরিপূর্ণতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের এই শিল্পী জানান, গান, নৃত্য ছাড়াও ত্রি কলা একাডেমীতে তবলা, গিটার, ড্রয়িং প্রভৃতি একেবারে গোড়া থেকে শেখানো হয়। এতে করে শিশু–কিশোরেরা মোবাইল ও ইন্টারনেট আসক্তি থেকে বের হয়ে শিল্প চর্চায় মনযোগী হয়ে উঠে।












