পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের জনবহুল ও ব্যস্ততম রাম হরিদাস সড়কটি দেড় যুগের বেশি সময় ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় রয়েছে। প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় শতাধিক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
রামহরিদাস সড়কটি পটিয়া–আনোয়ারা সড়ক ও বাসস্টেশন মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত। সড়কের পাশে দুটি বিদ্যালয়ের ছাত্র–ছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। সড়কের পাশে মসজিদ, মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। সড়ক জুড়ে ছোট বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক গাড়ির চালক এই সড়ক দিয়ে যেতেও চান না বলে জানান স্থানীয়রা। এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক রাসেল জানান, এই সড়কে একাধিকবার তার টেক্সি উল্টে যায়।
ধাউরডেঙ্গা কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ঝণ্টু মল্লিক জানান, ১৮ বছর ধরে রাম হরিদাশ সড়কের সংস্কার না হওয়ায় ব্রিক সলিংয়ের ইট ভেঙে গিয়ে অনেক স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের যাতায়তে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে এবং রোগিরা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন।
জানা যায়, ছনহরা ইউনিয়নে ২০০৪ সালে রাম হরিদাস সড়কের প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা ব্রিক সলিং দ্বারা উন্নয়ন করা হয়। এরপর ২০১৬ সালে সড়কের কিছু অংশ মেরামত করা হয়। অর্থের সংকটে এ সড়কের উন্নয়ন কাজ করতে পারছেন জানিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতি বলেন, রাম হরিদাস সড়কের ২ কিলোমিটার অংশে ব্রিক সলিং দ্বারা উন্নয়ন করতে বর্তমানে প্রায় ২ কোটি টাকার প্রয়োজন। উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী অনুপম সিকদার ও প্রকৌশলী শফিক আহমেদ সড়কটি পরিদর্শন করেন। ব্রিক সলিং দ্বারা উন্নয়নের ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীকেও অবগত করা হয়। এমনকি বিষয়টি জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপিকেও জানানো হয়েছে। কিন্তু সড়ক সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় লোকজন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী শফিক আহমদ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সড়কটি পরিদর্শন করে সংস্কারের ব্যাপারে একটি মতামত পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।












