নির্যাতনের দুঃখ ক্ষোভে মর্মে দহন জ্বালা
মাটির মানুষ ঘাম ঝরাতো মুখে দিয়ে তালা
চাষী জেলে কামার কুমোর পুষতো তবু্ও আশা
সুখের স্বপ্ন বন্দী দুখে ধুঁকত মায়ের ভাষা।
কাঁদত পরাণ সুখ ভাবনায় কী অসহায় জাতি,
শক্তি সাহস কে যোগাবে? খুঁজতো যোগ্য সাথী।
এসব কথা ভাবতে থাকে–, টুঙ্গিপাড়ার খোকা,
দেশের মানুষ বুদ্ধি পেলে থাকবে না আর বোকা।
লক্ষ্য নিয়ে হাঁটতে থাকে খুঁজে মুক্তির পথ —
রাজনীতিতে ঘাঁটতে থাকে কেমনে পাবে রথ।
ঢেউয়ের সাগর অটল পাহাড় দূরন্ত নদ– নদী
দেশের মাটির ভালোবাসায় মগ্ন নিরবধি।
সুযোগ বুঝে সময় খুঁজে খুলতে বদ্ধ দার,
দুখীর দেশের মানুষগুলোর নিতে হবে ভার
সুযোগ এলেও দেবে না ভার দেশের চোষক পাকি
দায় পরেছে বিবেক জ্ঞানে খুলতে হবে আঁখি,
দুখীর দেশের সহজ সরল খাচ্ছে মানুষ ধোকা
সাহস এদের গড়ে তুলতে দাঁড়ায় এসে খোকা
লক্ষ্যে যেতে ডাকেন তিনি দেশের জনগণ
আমজনতা রেসকোর্সে মিলবে করে পণ।
ফাগুন দিনের বিকেল বেলা উথলা ঢেউয়ে মাঠ,
তর্জনীতে বিজলী চমক শুনবে মুক্তির পাঠ
মুক্তি পাঠে মন্ত্র মুগ্ধ শোনলো মনের কথা
সেদিন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আনে স্বাধীনতা।







