ঢাকা-চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক ট্রেন, সম্ভাব্যতা জরিপ ও নকশা প্রণয়ন সম্পন্ন

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যাতায়াতের সময় কমবে । সংসদে প্রধানমন্ত্রী

| বৃহস্পতিবার , ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে ইলেক্ট্রিক বা বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা জরিপ ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম–১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নে সরকারপ্রধান এ কথা জানান। খবর বিডিনিউজের।

তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রাম–ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নিমিত্তে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম–ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ফলে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।

ঢাকা–চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াত, সময় ও দূরত্ব কমানোর জন্য সরকারের নেওয়া পরিকল্পনা সংসদের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার ঢাকা হতে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে টঙ্গী– আখাউড়া এবং লাকসাম–চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম–চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া টঙ্গী–আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে। আশা করি, এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম–ঢাকা করিডরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা এবং ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা–চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব হ্রাস করার লক্ষ্যে ঢাকা হতে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান আছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ঢাকা–চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব হ্রাস পাবে এবং গড় গতি বৃদ্ধি পাবে। অল্প সময়ের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
পরবর্তী নিবন্ধদরপত্র ছাড়া আরও ১৮ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার