ট্রাক-মেশিনারিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের নিলাম ৩ ফেব্রুয়ারি

চট্টগ্রাম কাস্টমস

জাহেদুল কবির | বুধবার , ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:২১ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম কাস্টমসে ট্রাকমেশিনারিসহ বিভিন্ন ধরনের ২১ লট পণ্যের অনলাইন নিলাম আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি। গত ১৯ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে অনলাইনে পণ্যের প্রস্তাবিত দর জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়া যাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টা পর্যন্ত। এছাড়া আগ্রহী বিডারদের (নিলামে অংশগ্রহণকারী) পণ্য দেখার সুযোগ দেয়া হয়েছে ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২১ লট পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখ ৩৩ হাজার ১০৫ টাকার কম্প্রেসার ফর রেফ্রিজারেটর উইথআউট ইনভার্টার অ্যান্ড পাটর্স, ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৯১৭ টাকার মেশিনারি ফর কোল্ডস্টোরেজ, ২ কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার ৭৫২ টাকার শার্প ব্র্যান্ড চেস্ট ফ্রিজার, ১২ লাখ ৯২ হাজার ১৪৫ টাকার কাউ স্প্লিট ফিনিশড লেদার, ২২ লাখ ৬৩ হাজার ১০৬ টাকা হাই স্পিড মিক্সার গ্র্যানুলেটর, ফ্লুইড বেড ড্রাইয়ার, বিন মিক্সার ও হাই এফিসিয়েন্সি কোটার, ৪০ লাখ ৩৮ হাজার ৫৮৩ টাকার মিক্সড কফি উইথ চিকোরি, ৬ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৭৪ টাকার স্টিল বিম স্টিল স্ট্রাকচার কানেক্টর প্লেট ফিটিংস, ৬ কোটি ৮৪ লাখ ৭১ হাজার ৭২৩ টাকার ডেকার সার্ভে ক্রাফ্‌ট, ৭৯ হাজার ৬১৯ টাকার কম্প্রেসার ফর রেফ্রিজারেটর মেটাল স্টিল ইনটেলিজেন্ট চার্জার, ৬২ লাখ ১৩ হাজার ১৬৫ টাকার আর্টিফিসিয়াল স্টোন টেম্পারড গ্লাস ড্রয়ার লক ডোর ক্লোজার প্যাসেঞ্জার লিফট, ৯২ লাখ ৫২ হাজার ৬৪৮ টাকার পিউমাচ স্টোন, ৩৭ লাখ ২৫ হাজার ৫৮৯ টাকার প্রিপারেশন ফর ট্রিটমেন্ট অব লেদার, ২৯ লাখ ২৯ হাজার ৫৬৮ টাকার উইন্ডো মোটর ফ্যান রোটারি কম্প্রেসার এক্সেসরিজ, ১ কোটি ৪৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৭ টাকার রেফ্রিজারেটর পার্টস, ৯৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫৭ টাকার ডোর লক ডোর অ্যান্ড অ্যালমুনিয়াম স্যান্ডউইচ প্যানেল, ১৫ লাখ ৬ হাজার ১৯৯ টাকার ফ্যান পার্টস, এলইডি পার্টস, ক্যাবল উইথ কানেকটর পাওয়ার, ১৩ লাখ ১২ হাজার ৭১০ টাকার গ্লাস ওল ক্যালসিয়াম অ্যালমুনেট সিমেন্ট সুপার, ৮১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬৯ টাকার রাবার চিপ ইউপিভিসি, ৫২ লাখ ৮৭ হাজার ৬৫২ টাকার বেসিন ও কমোড এবং ২৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৪ টাকার টাটা মিনি ট্রাক নিলামে তোলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন দৈনিক আজাদীকে বলেন, আমরা অখালাসকৃত পণ্য নিয়মিত নিলামে তুলছি। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ২১ লট বিভিন্ন ধরণের পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে। এছাড়া নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংস করে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করছি। এই কাজ চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এ সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে তাকে নোটিশ দেয় কাস্টমস। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এছাড়া মিথ্যা ঘোষণায় জব্দ পণ্যও নিলামে তোলা যায়। সর্বমোট ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার এই নিয়ম দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর করতে পারেনি বন্দর ও কাস্টমস। এতে করে বন্দরের ইয়ার্ডে এসব কন্টেনার পড়ে থাকে। আমদানি পণ্য যথাসময়ে খালাস না নেওয়ায় বন্দরগুলোতে প্রায়ই কন্টেনার জট লাগে। দিনের পর দিন কন্টেনার পড়ে থাকলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোন চার্জ পায় না।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবন্দর ঘিরে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অর্থনৈতিক করিডর গড়ার পরিকল্পনা
পরবর্তী নিবন্ধচবি শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, নারী শিক্ষার্থী আহত