জাহাজের চলাচল পথে ৩০ মাছ ধরার জাল, জব্দ করে অপসারণ

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ২০ আগস্ট, ২০২৬ at ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম বন্দরের কর্ণফুলী চ্যানেল ও বহির্নোঙরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭টি সুতার জাল, ১৩টি টং জালসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ ও অপসারণ করা হয়েছে। নেভিগেশনাল চ্যানেলে অবৈধভাবে জাল স্থাপন করে জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগে এসব জাল জব্দ করা হয়।

গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘কাণ্ডারী১২’ ও চারটি স্থানীয় বোট অংশ নেয়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ ও একটি বোটও অভিযানে সহযোগিতা করে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম জানান, বন্দরের প্রধান শিপিং চ্যানেল ওবহির্নোঙর এলাকায় নৌচলাচল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে বহির্নোঙর এলাকায় নৌযান চলাচলের পথে স্থাপন করা ১৭টি সুতার জাল ও ১৩টি টং জালসহ বিভিন্ন ধরনের জাল স্থাপনে ব্যবহৃত বিপুল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত অবৈধ জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানকালে নেভিগেশনাল রুটে অবস্থানরত ফিশিং বোটগুলোকে চ্যানেল এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নির্ধারিত নৌচলাচল রুট ও নেভিগেশনাল চ্যানেলে পুনরায় অবৈধভাবে জাল স্থাপন না করতে মাঝিমাল্লাদের সতর্ক করা হয়।

বন্দর সচিব জানান, বহির্নোঙরে অবৈধভাবে স্থাপন করা জাল বড় জাহাজের নিরাপদ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিপিং চ্যানেলের আশপাশে জাল বা অন্যান্য সরঞ্জাম থাকলে জাহাজের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কার পাশাপাশি বন্দরের স্বাভাবিক নৌচলাচল ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নেভিগেশনাল নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং জাহাজ চলাচলে যেকোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কোস্ট গার্ডের সমন্বিত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সব নৌযান ও মাঝিমাল্লাকে নির্ধারিত নৌচলাচল রুট মেনে চলা এবং নেভিগেশনাল চ্যানেলে জাল বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা স্থাপন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধগ্রান্ড শিকদার-দস্তগীরসহ তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
পরবর্তী নিবন্ধফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের ভূমিকা প্রশংসনীয়