সময় অতিক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে ছড়াও বিকশিত হয়েছে। ক্রমশ সৃষ্টি হয়েছে এর শাখা–প্রশাখা, পত্র–পল্লব। এখন বিভিন্ন ভাগে আমরা বিভক্ত করি ছড়াকে। শিশুতোষ ছড়া, উদ্ভট ছড়া, ব্যঙ্গাত্মক ছড়া, রাজনৈতিক ছড়া ইত্যাদি। বাংলাদেশের ছড়ায় শিশুতোষ ছড়ার আধিক্য বেশি। এসব শিশুতোষ ছড়ায় রাজনীতির ছোঁয়া নেই, সমসাময়িক টানাপড়েন নেই, আছে শুধু ছোটদের আনন্দদানের প্রচেষ্টা। পাশাপাশি অনেক ছড়াতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে হাস্যরস, কৌতুক ও উপদেশ। ছড়াশৈলী আয়োজিত ছড়া বিষয়ক কর্মশালার প্রথম পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠানে গতকাল শুক্রবার প্রশিক্ষণ প্রদানকালে কথাগুলো বললেন ছড়ালেখক রাশেদ রউফ। তিনি বললেন, ছড়া লিখতে হলে বেশি বেশি ছড়া পড়তে হবে। সুকুমার রায়, অন্নদাশঙ্কর রায়, সুকুমার বড়ুয়া, লুৎফর রহমান রিটন, ফারুক নওয়াজ, তপঙ্কর চক্রবর্তী, আমীরুল ইসলাম, রমজান মাহমুদ প্রমুখ লেখকের ছড়া পড়তে হবে বেশি করে, সুজন বড়ুয়ার কিশোর কবিতা পড়তে হবে। যত বেশি পড়া, তত বেশি আয়ত্তে আসবে ছন্দ। ছন্দ সহজাত, অনবরত চর্চার মাধ্যমে এমনিতেই আয়ত্তে আসবে। ছড়া লেখার কলাকৌশল শীর্ষক প্রথম ব্যাচে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন কাঞ্চনা চক্রবর্তী, কানিজ ফাতেমা লিমা, রিনিক মুন, পুলক চন্দ, তানজিনা রাহী, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, জি এম জহির উদ্দীন, নাঈমা হক সূচি, শুকলা আচার্য, আশীষ বসাক, গৌতম কানুনগো, কৌশিক রেইন, এস. সুদত্ত বড়ুয়া, মোহাম্মদ মনজুর আলম (মন্জু), মর্জিনা আখতার, সৌভিক চৌধুরী ও লিপি বড়ুয়া।
রাশেদ রউফ বলেন, শুধু ছড়া নয়, সমস্ত লেখালেখির জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। যতো বেশি পাঠ, ততো বেশি লেখার মান উন্নত হবে। প্রতিনিয়ত অনুশীলনের মাধ্যমে সবাইকে লেখালেখি চালিয়ে যেতে হবে। উল্লেখ্য, ছড়া বিষয়ক কর্মশালার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ২২ মে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














