অনাগত কালের আঙিনায় দাঁড়িয়ে দেখি
আকাশের স্নিগ্ধতা ঢেকেছে
গভীর কালো মেঘ,
কুন্ডলী পাকানো কুয়াশার দেহজুড়ে
শূন্যের মায়া রং,
চাঁদনী জোৎস্না এসে ফিস ফিস বলে যায়
অন্ধকার ভেজা কালো গালিচায় বসে আছে
মমতার স্রোত ভাঙা
দিশেহারা এক কালো নক্ষত্র কাল।
এইতো সেদিন মায়ের বুকে মায়ার বাঁকে
খুঁজে নিত অনিন্দ্য সুখের মুখ,
মাতৃহারা দুঃখ নদীর নিরুত্তাপ দহনে
ধীরে ধীরে পুড়ে যেতে থাকে
স্বপ্নের পৃথিবী,
অচেনা পথে ধুঁকে ধুঁকে একলা হেঁটে
অনিঃশেষ যন্ত্রণায় ভেদ করে
ক্লেষিত কষ্টচক্রের মহাকাল।
এখন শুধু কোলাহলে, বা, নীরব আড়ালে,
বেমালুম ঘুরে ঘুরে খোঁজা
শান্তির শীতল ছায়া।
প্রতিবাদ নয়, প্রতিঘাত নয়
যুক্তির সাথে অযথা যুক্তির কোনো দ্বন্দ্ব নয়।
বেদনার চরে কেবল নিথর দাঁড়িয়ে
অপলক চেয়ে চেয়ে দেখা,
বিভ্রান্তির মুখে,
অবিনয়ে কাতর থুবরে পড়া
চৈতন্য পীড়িত চেতনার ছিন্ন বেড়াজাল।










