চেক প্রতারণা মামলার রায়ের সূত্রধরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট রাউজানে এক ব্যক্তির পাকা ঘর ও জমি ক্রোক করেছেন । গতকাল বুধবার সকালে ক্রোক করা হয় উপজেলার মুহাম্মদপুর গ্রামের বানু হাজীর বাড়ির মফিজুল হকের সম্পত্তি। ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রী খীসা ক্রোক করার কাজে দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয়রা বলেছেন- ক্রোক করা সম্পত্তির চারপাশে লাল পতাকা দেয়া হয়েছে। মফিজুল হকের স্ত্রী ও সন্তানদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে দরজায় সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়। চেক প্রতারণা মামলার বাদী ওই গ্রামের বাসিন্দা দিদারুল আলম চৌধুরী বলেছেন-হাজী রুহুল আমিনের পুত্র মফিজুল হকের সাথে তাঁর ব্যবসা ছিল। ওই সূত্রে তিনি মফিজুল হককে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। উক্ত টাকা ফেরত না দেয়ায় গত ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন। গত ২০১৯ সালে মামলার রায়ে আদালত মফিজুল হককে ৬ মাসের মধ্যে পাওনা ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ড সহ ২০ লাখ টাকা ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেন ।
কিন্তু বিবাদী নির্ধারিত সময়ে আদালতের দেয়া নিদেশ কার্যকর করেনি। পরবর্তীতে আদালত মফিজুল হকের ঘর ও জমি ক্রোক করার নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট রাউজান থানার পুলিশ ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের লোকজন নিয়ে উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করেন।













